‘ওমরে সাআদের’ শেষ পরিণতি

কারবালার ঘটনার পরে মোখতার কারবালার শহিদদের রক্তের প্রতিশোধ নেয়া শুরু করে। কারবালার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওমরে সাআদের উপরে মোখতারে সাকাফির ক্ষোভ ছিল সবচেয়ে বেশি। যেহেতু মোখতার ও তার মাঝে বিদ্রোহ না করার একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সেহেতু মোখতার এমন একটি সুযোগে

ওমরে সাআদের শেষ পরিণতি

ওমরে সাআদ, ইমাম হুসাইন, কারবালা, মোখতার, মোখতারে সাকাফি, মোহাম্মাদে হানাফিয়া, আবু ওমরা,

এস, এ, এ

কারবালার ঘটনার পরে মোখতার কারবালার শহিদদের রক্তের প্রতিশোধ নেয়া শুরু করে। কারবালার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওমরে সাআদের উপরে মোখতারে সাকাফির ক্ষোভ ছিল সবচেয়ে বেশি। যেহেতু মোখতার ও তার মাঝে বিদ্রোহ না করার একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সেহেতু মোখতার এমন একটি সুযোগের সন্ধানে ছিল যেন ওমরে সাআদ তার কৃত চুক্তিকে ভঙ্গ করে আর মোখতার ও কারবালার শহিদদের রক্তের প্রতিশোধ নিতে পারে। আর এ কারণে তাকে হত্যা করতে মোখতারের কিছু সময় ব্যায় হয়।

যখন ওমরে সাআদ বুঝতে পারে যে মোখতার তাকে কারবালার কৃত অপরাধের কারণে সুযোগের সন্ধানে রয়েছে যে কিভাবে তাকে মৃত্যুদন্ড দেয়া যায়। তখন সে এক রাতে কুফা থেকে পলায়ন করে। কিন্তু যখন সে পলায়ণ করতে চায় তখন তামিমি গোত্রের এক লোক তাকে পলায়ণ করতে নিষেধ করে। তখন সে আবার কুফায় ফিরে আসে।

মোখতার যখন জানতে পারে যে ওমরে সাআদ পলায়ণের উদ্দেশ্যে কুফার বাহিরে গেছে কিন্তু কোন কারণে আবার ফিরে এসেছে। তখন মোখতার উক্ত ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে ওমরে সাআদকে আটক করার জন্য প্রেরণ করেন।

ওমরে সাআদের পুত্র ‘হাফাস’মোখতারের কাছে আসে। তখন মোখতার তাকে জিজ্ঞাসা করে যে, তোমার বাবা কোথায়? তখন সে জবাবে বলে: আমার বাবা বাড়িতে আছে।

মোখতার আবু ওমরা কে নির্দেশ দেয় যেন সে ওমরে সাআদকে কথার মাধ্যমে ব্যাস্ত রাখে। কিন্তু ওমরে সাআদ ভয় পেয়ে বলে: আমার তরবারি নিয়ে আস।

আবু উমরা তার উদ্দেশ্যেকে বুঝতে পারে এবং তাকে পলায়ণের কোন সুযোগ না দিয়ে তরবারি দিয়ে তাকে হত্যা করে এবং তার মাথাকে শরির থেকে আলাদা করে মোখতারের সমিপে উপস্থাপন করে।

মোখতার ওমরে সাআদের মাথাকে হেজাজে মোহাম্মাদে হানাফিয়ার কাছে প্রেরণ করেন। মোহাম্মাদে হানাফিয়া ওমরে সাআদের মাথাকে দেখে বলেন:

اَللّهـُمَّ لا تَنْسِ هذَا الْیَوْمَ لِلْمُخْتارِ وَاجْزِهِ عَنْ اهل بیت نَبِیِّكَ محمّدٍ(صلی الله علیه و آله) خَیْرَ الجَزاءِ. فَوَاللهِ ما عَلَى الُْمخْتارِ بَعْدَ هذا مِنْ عُتْبٍ