হজরত ফাতেমা (সা.আ.) এর ওসিয়ত

হজরত ফাতেমা (সা.আ.) এর ওসিয়ত

হজরত ফাতেমা (সা.আ.) এর ওসিয়ত

জাবের ইবনে হাইয়ান, ইমাম সাদিক, সুইডেন, Hazrat fizza, hazrat fijja, হজরত ফিজ্জা, হজরত ফিযযা, সিরিয়া, শাম, এজিদের দরবার, জয়নাব, সকিনা, রাফাহ ক্রসিং, অবমাননা, মহানবী, hussain, mohammad, imam mahdi, সিফফিন, জামালের যুদ্ধ, নারওয়ানের যুদ্ধ, খলিফা, খেলাফত, ইমামত, আলী, সিদ্দীক, ফারুক, মোর্তযা, বদর, ওহদ, খন্দক, খায়বার, বণী Shia, Sunni, Islam, Quran, Karbala, najaf, kufa, mashad, samera, madina, makka, jannatul baqi, kazmain, ali, Fatima, hasan, সাকিফা, বণী সায়াদা, সাহাবী, হিজবুল্লাহ, ইসরাইল, ড্রোন, বিমান, হাসান নাসরুল্লাহ , লেবানন, ইরান,  চীন, মালয়েশিয়া,  স্যাটেলাইট, কুয়ালালামপুর, বেইজিং, ভিয়েতনাম, মার্কিন, গোয়েন্দা, ইরাক, সিরিয়া, মিশর, আল কায়েদা, তাকফিরী, ইখওয়ানুল মুসলেমিন, বাংলাদেশ, ভারত, জিহাদ, ফিলিস্তিন, ইহুদি, গাজা, শহীদ, জিহাদ, ক্ষেপণাস্ত্র, দূতাবাস, সৌদি আরব , কুয়েত, রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন, আমেরিকা, ভিয়েনা, পরমাণু, বাহারাইন, আফগানিস্থান, থাইল্যান্ড, হজরত ফাতিমা, মার্জিয়া, সিদ্দিকা, মোহাদ্দেসা, বাতুল, উম্মে আবিহা, যাহরা, মুবারেকা, যাকিয়া, তাহেরা, রাযিয়া, জিহাদুন নিকাহ, পোপ, পাদ্রি, বাইতুল মোকাদ্দাস, ওহাবী, সালাফি, মুফতি, ড্রোন, পাকিস্থান, এজিদ, মাবিয়া, আবু সুফিয়ান, আলী আকবর, হুসাইন, শাবান, আমল, শবে বরাত, রমজান, দায়েশ, তাকফিরী, তালেবান, মোতা, মোতা বিবাহ, সেগা করা,দায়েশ, তাকফিরি, তালেবান, ওহাবী, আইএসআইএল,গাজা, ফিলিস্তিন, ইসরাইল, শিশু হত্যা, কুদস দিবস, জুমআতুল বিদা, কুদস,সাদক্বা, দান খয়রাত, ফেতরা, জাকাত, সাদকা, ভিক্ষা,  শবে বরাত, লাইলাতুল বরাত, দায়েশ, জঙ্গি,  দামেস্ক, ইসরাইল, সাইবার হামলা, ‍ৃ

এ,এ,এ

হজতে ফাতেমা (সা.আ.) হজরত আলী (আ.) বলেন: আমি আপনাকে কয়েকটি বিষয় সম্পর্কে ওসিয়ত করতে চাই: আপনি তা মনে রাখবেন এবং সে অনুযায়ি আমল করবেন। আপনি আমার পরে অমুককে বিবাহ করবেন যেন সে আমার সন্তানদেরকে নিজের সন্তানের ন্যায় আদর যত্ন করবে এবং আমার ন্যায় তাদেরকে লালন পালন করে, আমাকে ফেরেস্তারা যেরূপ খাটিয়া দেখিয়েছে অনুরুপভাবে আমার মৃত্যুর পরে খাটিয়া বানাবেন। হজরত আলী (আ.) জিজ্ঞাসা করেন কোন আকারে তৈরী করব? হজরত ফাতেমা (সা.আ.) তাকে পরিপূর্ভাবে বর্ণনা দেন। তিনি বলেন যখন আমি মারা যাব তখন আমার জানাযার নামাজে যেন আল্লাহ এবং রাসুল (সা.) এর শত্রুরা অংশগ্রহণ না করে। হজরত আলী (আ.) বলেন ঠিক আছে।

শেইখ মুফিদ (রহ.) ইমাম হুসাইন (আ.) থেকে বর্ণনা করেরছেন, তিনি বলেছেন: যখন হজরত ফাতেমা (সা.আ.) অসুস্থা হয়ে পড়েন তখন তিনি হজরত আলী (আ.) কে ওসিয়ত করেন তিনি যেন ফাতেমা (সা.আ.) এর অসুস্থতার খবর  যেন প্রকাশ না করে। হজরত আলী (আ.) ও ওসিয়ত অনুযায়ি কাজ করেন এবং নিজেই হজরত ফাতেমা (সা.আ.) এর সেবা যত্ন করেন উক্ত কাজে আসমা বিন উমাইস ও তাকে অনেক সাহায্যে করেন যেমনটি হজরত তাকে ওসিয়াত করেছিলেন।

যখন তিনি শাহাদত বরণ করেন তখন তাঁর ওসিয়ত অনুযায়ি হজরত আলী (আ.) তাঁকে গোসল, কাফন দেন এবং রাতে তাকে দাফন করেন এবং তার কবরের চিহ্নকে মিটিয়ে দেন।

শেইখ মুফিদ (রহ.) ইমাম সাদিক (আ.) থেকে বর্ণনা করেছেন হজরত ফাতেমা (সা.আ.) এর মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে আসলে তিনি হজরত আলী (আ.) কে ডেকে বলেন আমি আপনার কাছে যা চাইব আপনি কি তা করবেন?  নাকি আমি ইবনে যুবাইরকে বলব? তখন  ইমাম (আ.) তাঁকে বলেন হে ফাতেমা! আমি তোমার ওসিয়তকে পূরণ করব। আমি আপনাকে রাসুল (সা.) এর কসম দিয়ে বলছি! আমার মৃত্যুর পরে ঐ দুজন (ফেদাক জবরদখলকারী) যেন আমার জানাযার নামাজে অংশগ্রহণ না করে এবং আমার জানাজার নামাজ যেন পড়ে। হজরত আলী (আ.) বলেন আমি অনুরুপটি করব।

সৈয়দ মোর্তযা থেকে বর্ণিত তিনি বলেছেন এ সম্পর্কে অসংখ্য রেওয়ায়াত বর্ণিত হয়েছে যে আমাকে রাতে দাফন এবং ঐ দুজন যেন আমার জানাযার নামাজে অংশগ্রহণ না করে উক্ত বিষয়ে হজরত ফাতেমা ইমাম (আ.) এর  কাছ থেকে অঙ্গিকার গ্রহণ করেন।

উক্ত ওসিয়তটি হজরত ফাতেমা (সা.আ.) তখন করেন যখন ঐ দুজন তাঁর  অসুস্থকালীন সময়ে দেখা করতে চাইলে তিনি তাদেরকে সাক্ষাতের অনুমতি দেননি। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পরেও যখন তারা হজরত ফাতেমা (সা.আ.) এর সাথে সাক্ষাতের অনুমতি পায়নি তখন তারা হজরত আলী (আ.) এর কাছে যায় এবং বলে যে তিনি যেন ফাতেমা (সা.আ.) এর কাছ থেকে সাক্ষাতের অনুমতি নেয়। হজরত আলী (আ.) ফাতেমা (সা.আ.) কে আবেদন জানালে তিনি অবশেষে সাক্ষঅত করতে রাজি হন। যখন তারা প্রবেশ করে তখন হজরত ফাতেমা (সা.) তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে  নেন এবং তাদের সাথে কোন কথা বলেননি। যখন তারা ঘরের বাইরে চলে যায় তখন তিনি ইমাম আলী (আ.) কে বলেন: তাদের সাথে আমার এমন ব্যাবহার সম্পর্কে আপনার কি কোন অভিযোগ আছে? ইমাম আলী (আ.) বলেন: হ্যাঁ, হজরত ফাতেমা (সা.আ.) তাঁকে বলেন: এখন আমি আপনাকে যা বলব তা কি আপনি সম্পাদন করবেন? হজরত ফাতেমা (সা.) আলী (আ.) কে বলেন: হে আলী আপনাকে শপথ থাকলো যে এ দুজন যেন আমার জানাযার নামাজে অংশগ্রহণ না করে এবং আমার কবর সম্পর্কে যেন তারা অবগত না হয়। (আশ শাফি, খন্ড ৪, পৃষ্ঠা ১১৫)