ইমাম কাযিম (আ.) গায়বের খবর জানতেন

ইমাম (আ.) তাদেরকে বলেনঃ হজরত রাসুল (সা.) যে ঐশী জ্ঞান হজরত আলী (আ.) কে দান করেছিলেন উক্ত জ্ঞানটি তার পরবর্তি ইমামদের কাছেও পর্যায়ক্রমে পৌচেছে।

ইমাম কাযিম (আ.) গায়বের খবর জানতেন
আবু ইউসুফ এবং মোহাম্মাদ ইবনে হাসান এ দুজন ছিলেন আবু হানিফার সঙ্গি। একদা তারা সিন্দি বিন সাহাকের কারাগারে ইমাম (আ.) এর সাথে সাক্ষাতের জন্য যাচ্ছিল এবং বলছিল যে, আমরা কোন অংশে আলী ইবনে মূসা (আ.) এর কম না হয়তোবা আমরা তার সমমানের হব অথবা তার মতোই হব। যখন তারা ইমাম (আ.) এর কাছে এসে বসে এবং কিছুক্ষণ না বসতেই কারারক্ষি এসে বলে আমার সময় শেষ হয়ে গেছে আমি বাইরে যাচ্ছি যদি আপনার কিছু দরকার হয় তাহলে আমাকে বলেনঃ আমি আসার সময়ে আপনার জন্য তা নিয়ে আসব। এ কথা বলে যখন সে প্রহরীটি চলে যায় তখন ইমাম (আ.) আবু ইউসুফের দিকে তাকিয়ে বলেনঃ আজকে রাতে উক্ত প্রহরীটি মারা যাবে। উক্ত কথাটি শুনে তারা দুজন কারাগার থেকে বাইরে চলে আসে এবং বলাবলি করে যে, আমরা চেয়েছিলাম যে, তার কাছে হারাম হালাল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করব তিনি আমাদেরকে গায়বের খবর দিলেন। মৃত্যু হচ্ছে একটি সত্য কিন্তু তার সঠিক সময় কেউ জানে না। অতঃপর তারা উক্ত প্রহরীটির খোঁজ নেয়ার জন্য একজনকে নির্ধারণ করে। সে লোকটিও উক্ত প্রহরীরর বাড়ির কাছে নজরদারী করতে করতে ঘুমিয়ে পড়ে। যখন সে সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখে যে, উক্ত প্রহরীটির বাড়িতে লোকজন যাতায়াত করছে। সে লোকজনদেরকে জিজ্ঞাসা করে কি হয়েছে? তারা বলে অমুক লোকটি মারা গেছে। উক্ত লোকটি প্রহরীটির মৃত্যুর সংবাদ আবু ইউসুফ এবং মোহাম্মাদ বিন হাসান কে জানায়।
যখন আবার তারা দুজনে ইমাম (আ.) এর সাক্ষাতের জন্য আসে। তখন ইমাম (আ.) তাদেরকে বলেনঃ হজরত রাসুল (সা.) যে ঐশী জ্ঞান হজরত আলী (আ.) কে দান করেছিলেন উক্ত জ্ঞানটি তার পরবর্তি ইমামদের কাছেও পর্যায়ক্রমে পৌচেছে।
সূত্রঃ বিহারুল আনওয়ার, খন্ড ৪৮, পৃষ্ঠা ৬৪।