মস্তিষ্কে বৈদ্যুতিক শক দেয়া হলে অপরাধ ততপরতা কমে যায়

মস্তিষ্কে বৈদ্যুতিক শক দেয়া হলে অপরাধ ততপরতা কমে যায়

মস্তিষ্কে বৈদ্যুতিক শক দেয়া হলে অপরাধ ততপরতা কমে যায়


মস্তিষ্কে বৈদ্যুতিক শক দেয়া হলে অপরাধ ততপরতা কমে যায় বলে গবেষকরা দেখতে পেয়েছেন। মানব মস্তিষ্কের যে অংশ সামাজিক বিধি বিধান মেনে চলার সিদ্ধান্ত নেয় সে অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে শনাক্ত করতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা।
তারা আরো দেখতে পেয়েছেন, মস্তিষ্কের এ অংশে বেদনাহীন মৃদু বৈদ্যুতিক শক দেয়ার মধ্য দিয়ে নিউরন বা পূর্ণ স্নায়ু কোষরাজিকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। খুলিতে ইলেক্ট্রোড বসিয়ে এ শক দেয়া হয়।
বৈদ্যুতিক শক দিয়ে অপরাধ ততপরতা নিয়ন্ত্রণের গবেষণায় অংশগ্রহণ করেছিলেন ৬৩ জন স্বেচ্ছাসেবী। তাদের নগদ অর্থ ভাগ করে নেয়াসহ নানা কাজ করতে দেয়া হয়েছে। কাজটি যাতে ন্যায়ভিত্তিক ও সুষ্ঠুভাবে করে সে =জন্য কখনো বৈদ্যুতিক শক দেয়া হয়েছে। আর কখনো দেয়া হয়েছে কঠোর শাস্তির হুমকি।
গবেষণার সঙ্গে জড়িত স্বেচ্ছাসেবীরা কঠোর শাস্তির হুমকির মুখে কাজগুলো সুষ্ঠুভাবে করেছেন। একই ধরণের আচরণ আরো ভালোভাবে করেছেন বৈদ্যুতিক শক দেয়ার পর। অর্থাত এ পদ্ধতিতে নিউরনের ততপরতা কমিয়ে দেয়ার পর গবেষণায় অংশগ্রহণকারীরা স্বেচ্ছায় ন্যায়ভিত্তিক আচরণ করছেন। সামাজিক ন্যায়-অন্যায়ের বিষয়গুলো ভালভাবে মেনে চলছেন তারা।
এ গবেষণার সঙ্গে জড়িত জুরিখের অধ্যাপক ক্রিশ্চিয়ান রুফ মনে করেন, সুনির্দিষ্ট নিউরনে উদ্দীপনা যুগিয়ে মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। বেদনাহীন এ পদ্ধতিতে একদিন অপরাধীকেও সুপথে আনা যাবে অথবা অন্তত তাদেরকে অপরাধ ততপরতা থেকে বিরত রাখা যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অনেকে।
সূত্রঃ রেডিও তেহরান