হযরত ফাতেমা (আঃ) এর দৃষ্টিতে দোয়ার সর্বোত্তম সময়

একজন মুমিন ব্যক্তির জীবনের সর্বাপেক্ষা প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সাথে সুসম্পর্ক স'াপন করা। আল্লাহর ওলিদের জীবনে দোয়া এক বিশেষ স্থানকে দখল করে আছে।

হযরত ফাতেমা (আঃ) এর দৃষ্টিতে দোয়ার সর্বোত্তম সময়
একজন মুমিন ব্যক্তির জীবনের সর্বাপেক্ষা প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সাথে সুসম্পর্ক স'াপন করা। আল্লাহর ওলিদের জীবনে দোয়া এক বিশেষ স্থানকে দখল করে আছে। তাদের জীবনের একটি গুরুত্ববহ সময় দোয়া ও প্রার্থনায় নিমগ্ন থাকত। দোয়ার অংশে হযরত ফাতেমা (আঃ) থেকে এর ফজিলত ও গুণাবলী সম্বন্ধে তালিকাভূক্ত করা হয়েছে। কিন' দোয়া সম্পর্কিত অন্য একটি বিষয় হলো, দোয়ার শিষ্টাচারকে যথাযথ মান্য করে চলা, যেমন, দোয়ার সময়ের প্রতি দৃষ্টি নিবন্ধ করা। আল্লাহর ওলিগণ এ সুবর্ণ সুযোগের প্রতীক্ষায় থাকতেন এবং উত্তম সময়গুলি দোয়ার জন্য নির্বাচিত করতেন। এখানে একটি রেওয়ায়েত উল্লেখ করব, হযরত ফাতেমা (আঃ) তাঁর উক্তি ও কর্মের মাধ্যমে দোয়ার উপযুক্ত সময় সম্পর্কে বর্ণনা করেন, “আমি পয়গাম্বর (সাঃ) থেকে শুনেছি যে, তিনি বলেন, পবিত্র জুমা’র দিনে একটি মুহূর্ত বা সময় রয়েছে যে কোন মুসলমান সেই সময়টায় স্বীয় কল্যাণের জন্য দোয়া করেছে অথচ তার মনোবাসনা আল্লাহপাক পূরণ করেনি এমনটি নয়। হযরত ফাতেমা (আঃ) জিজ্ঞাসা করেন, “হে আল্লাহর রাসুল (সাঃ)! সেই সময়টি কখন?”
তিনি বলেন, “এটা হলো ঐ মুহূর্ত যখন সুর্যের অর্ধাংশ পশ্চিমাকাশে অস-মিত হয়।”
অতঃপর ফাতেমা (আঃ) স্বীয় কৃতদাসকে বলেন, “তুমি ছাদের উপর দাঁড়িয়ে যাও, যখন লক্ষ্য করবে সুর্যের অর্ধাংশ অস-মিত হচ্ছে আমাকে সঙ্গে সঙ্গে সংবাদ দিবে।” (সূত্র ঃ কাউসার বেলায়েত, খঃ ৮৮, পৃঃ ৫১)