فیلم

হজ্জ ফরজ হওয়ার জন্য কিছু শর্ত রয়েছে। যদি সে সব শর্ত পুরণ হয় তাহলে সে ব্যক্তির ওপর এক বার হজ্জে গমন করা ফরজ। হজ্জ এমনই এক এবাদত যে এক তা আনজাম দিলে সারা জীবন তার প্রভাব বিদ্যমান থাকে।
ইমাম রেজা (আঃ) হতে প্রচুর আধ্যাত্মিক, চরিত্র গঠন ও জ্ঞান সমৃদ্ধ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। এখানে তাঁর কছু সংখ্যক হাদিস বর্ণিত হল।
গিবত বা পরচর্চা করা হতে বিরত থাকতে হবে। সত্য বলাকেই গিবত বলা হয়ে থাকে। আর যদি কাউরো সম্পর্কে কেউ মিথ্যা বলে তাহলে তাকে বোহতান বলা হয়।
কারবালায় ইমাম জয়নুল আবেদীন (আঃ) উপস্থিত ছিলেন। তিনি স্বচক্ষে দেখেছেন যে কিভাবে সকলকে শহিদ করা হয়েছে। অসুস্থ ইমাম জয়নুল আবেদীনে প্রতি এজিদি বাহিনী অত্যন্ত নির্যাতন করে।
আশুরার বিপ্লব আমাদেরকে শিক্ষা দেয় যে, অসম্মানজনক জীবনের চেয়ে সম্মানজক মৃত্যু উত্তম। অন্যায়ের কাছে কখনো মাথা নত করা যাবে না।
সুরা কদরে লাইলাতুল কদরের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। কিয়ামত পর্যন্ত লাইলাতুল কদর থাকবে এবং ফেরেশতাগণও অবতীর্ণ হবেন। কিন্তু এই ফেরেশতাগণ কার নিকট অবতীর্ণ হবেন? এক্ষেত্রে অবশ্যই আল্লাহর হুজ্জাতের প্রয়োজন রয়েছে।
আল্লাহ তায়ালা মানব জাতিকে সৃষ্টির প্রথম উদ্দেশ্য হচ্ছে তাঁর এবাদত করা এবং দ্বিতীয় উদ্দেশ্য হচ্ছে এহসান করা। অন্যের উপকারের মাধ্যমেই মানুষ অমর হয়ে থাকে।
ইমাম সাদিক (আ.) নবি বংশের ষষ্ঠ ইমাম ছিলেন। তিনি জ্ঞান বিকাশের ক্ষেত্রে প্রচুর অবদান রেখেছেন। চার হাজারেরও বেশি ছাত্র তাঁর নিকট শিক্ষা গ্রহণ করেছে।
১-আলী (আ.) এর সাথে বন্ধুত্ব মানেই খোদা ও রাসুল (সা.) এর সাথে বন্ধুত্ব। ২-আলী (আ.) কে ভালবাসা ছাড়া কোন আমল গ্রহণ কবে না। ৩-আলী (আ.) এর সাথে বিদ্বেপোষণ কুফরের সামিল। ৪-আলী (আ.) কে ভালবাসা হচ্ছে সৎ কর্ম।
১-ইমাম হাসান আসকারী (আ.) ২৬০ হিজরীতে শাহাদত বরণ করেন। ২-ইমাম হাসান আসকারী (আ.) ২৮ বছর বয়সে শাহাদত বরণ করেন। ৩-ইমাম মাহদী (আ.) এর জন্য দুইবার আত্মগোপন রয়েছে। ৪-ইমাম মাহদী (আ.) এর স্বল্পকালীন আত্মগোপনের পরে দীর্ঘমেয়াদী আত্মগোপন শুরু হয়।
১-ইমাম মাহদী (আ.) এর আবির্ভাবের পূর্বে আসমানী কন্ঠস্বর শোনা যাবে। ২-রমজান মাসের ১৫ তারিখে সূর্যগ্রহণ এবং মাসের শেষে চন্দ্রগ্রহণ দেখা দিবে। ৩-খলিফা, শাসক, রাজা, অত্যাচারী এবং তারপর ইমাম মাহদী (আ.) আবির্ভাব হবে। ৪-ইমাম মাহদী (আ.) এর সময় লাল ও সাদা মৃত্যু এব
নাজরানের খৃষ্টানরা রাসুল (সাঃ) কে নবি হিসেবে চিন্তে পারার পরও তাঁকে মানতে অস্বীকার করে। আল্লাহর তরফ হতে আয়াত অবতীর্ণ হয় মোবাহিলা করার জন্য। খৃষ্টনরা আহলে বাইত (আঃ) কে চিন্তে পারার কারণে মোবাহিলা করতে অস্বীকার করে।
ইমাম হোসাইন (আঃ) মহানবি হজরম মুহাম্মাদ (সাঃ) এর আদর্শকে জীবিত করার জন্য কিয়াম করেছিলেন। তাঁর কিয়াম ছিল মিথ্যা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে।
১-আলী (আ.) কে কষ্ট প্রদান হচ্ছে খোদা ও রাসুল (সা.) কে কষ্ট প্রদানের সমতুল্য। ২-আলী (আ.) কে গালমন্দ হচ্ছে রাসুল (সা.) কে গালমন্দ করা। ৩-আলী (আ.) এর সাথে যুদ্ধ করা হচ্ছে রাসুল (সা.) এর সাথে যুদ্ধ করার সমতুল্য। ৪- আলী (আ.) কে পরিত্যাগ করা হচ্ছে রাসুল (সা.) ক
আল্লাহ তায়ালা বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের নিকট হতে পরীক্ষা গ্রহণ করে থাকেন। যারা তার একনিষ্ঠ বান্দা তারা সকল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে থাকে। পরীক্ষা হচ্ছে মানুষকে যাচাই করার মাপকাঠি।
পবিত্র কোরআনে অসিলা গ্রহণ করা সম্পর্কে বেশ কিছু আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে। অসিলা গ্রহণ ও তাবাররুক গ্রহণ করা এমন একটি বিষয় যে, সর্বকালেই তা বিদ্যমান ছিল।

পৃষ্ঠাসমূহ