فیلم

ইমাম হোসাইন (আ.) শিক্ষা দিয়েছেন যে কিভাবে জীবন যাপন করতে হয়। তিনি কখনো মিথ্যার নিকট আত্মসমর্পন করেননি। তিনি বলেছেনঃ অপমান জনক জীবনের চেয়ে সম্মান জনক মৃত্যু উত্ত।
শাবান মাসে রাসুল (সা.) সাহাবাগণকে লক্ষ্য করে একটি খুৎবা দান করেন। এ খুৎবায় রমজান মাস এবং তার তাৎপর্য সম্পর্কে আলোকপাত করেন।
আমাদের অভিভাবক কে? আমরা কার নির্দেশ পালন করব? আমাদের নির্দেশদাতা কি কোন কোন সাধারণ ব্যক্তি হবে, না নিষ্পাপ হতে হবে এবং যে কোন প্রকার ভুলের উর্ধে হতে হবে।
আন্যান্য এবাদতের দোয়াও একটি উত্তম এবাদত। দোয়া করার সময় তার আদব রক্ষা করা একান্ত প্রয়োজন। দোয়াকে মোমিনের প্রয়োজন মেটানোর ক্ষেত্রে উত্তম মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইমাম খোমেনী (রহ.) আধ্যত্মিকতার তিনটি স্তর অতিক্রম করে চতুর্থ স্তরে উন্নিত হয়েছিলেন বলেই তার সব প্রগ্রাম বাস্তবায়ন হয়েছিল। তিনি কোন সাধারণ বিপ্লব সাধন করেননি বরং রাজতন্ত্রকে ইসলামী প্রজাতন্ত্রে পরিণত করেছেন।
হজরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর জীবনের সর্ব শেষ দিনগুলোতে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যা আমাদের সঠিক পথের দিক নির্দেশনা দেয়।
(১) নবীদের সীরাত থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়া উচিত। (২) আল্লাহ কোরআন নাযিল করেছেন এবং তিনিই তার রক্ষক। (৩) রাসুলের (সাঃ) এর যুগেই কোরআন সংকলিত হয়েছিল। (৪) রাসুল (সাঃ) আহলে বাইতকে (আঃ) অনুসরণ করতে বলেছেন?
(১) রাসুলের (সাঃ) শ্রেষ্ঠ মজেযা হচ্ছে কোরআন। (২) হযরত উসমান কি প্রথম কোরআন সংকলনকারী? (৩) কোরআন হযরত আবু বকরের যুগেই জমাকৃত করা হয়। (৪) কেন হাদীস সংকলন করা কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
ইমাম হোসাইন (আ.) যদি কিয়াম না করতেন তাহলে ইসলাম বিকৃত হয়ে যেত। হালাল ও হারামের মাঝে কোন পার্থক্য থাকত না।
হজরত ফাতেমা (আ.) এর পুরো জীবন সততার ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল। তিনি ছিলেন মাসুম বা নিষ্পাপ। তিনি সর্বদা আল্লাহর এবাতদ করতেন।
হজরত মুহাম্মাদ (সা.) নবুওয়াত পাওয়ার পূর্বেও আল আমিন হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। তিনি অত্যন্ত দয়াবান ছিলেন।
আমাদের আমল সঠিক হওয়ার জন্য আকায়েদ বা বিশ্বাস সঠিক হওয়া প্রয়োজন। প্রত্যে ব্যক্তির আমল তার বিশ্বাস অনুযয়ী হয়ে থাকে। সুতরাং আমাদের আকায়েদ সঠিক করার জন্য চেষ্টা করা উচিত।
১-রাসুল (সা.) হুজর বিন উদায়কে তার শাহাদতের খবরও দেন। ২-হুজর বিন উদায় ছিলেন আলী (আ.) এর একনিষ্ঠ সাহাবী। ৩-আলী (আ.) ছিলেন রাসুল (সা.) এর নাফস। ৪-মুসলমানেরা হুজরের শাহাদতের জন্য মাবিয়াকে দোষি করে।
পবিত্র কোরআনের দৃষ্টিতে আহলেবাইত নিষ্পাপ। তাঁদের মধ্য হতে বারজন ইমাম আগমন করেছেন।
আল্লাহ তায়ালা মানুষকে তাঁর এবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। মানুষের জন্য সর্ব শ্রেষ্ঠ মর্যাদা হচ্ছে আল্লাহর বান্দা হওয়া।
পবিত্র কোরআন বিভিন্ন বিষয়কে অধপতনের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে, যেমন সুদ খাওয়া, অঙ্গিকার ভংগ করা, নবির অনুস্বরণ না কারা, অহংকার, আল্লাহ প্রত্ত পন্থায় জীবন যাপন না করা।

পৃষ্ঠাসমূহ