মৃত্যুশয্যা থেকে কবর পর্যন্ত

মৃত্যুশয্যা থেকে কবর পর্যন্ত

মৃত্যুশয্যা থেকে কবর পর্যন্ত

তালকিন, মাইয়াতের নামাজ, জানাযার নামাজ, জানাযা, মৃত ব্যাক্তি, কবর,

এস, এ, এ

 মৃত্যুশয্যা ব্যাক্তির ক্ষেত্রে করণিয় বিষয় সমূহ: 

১- মৃত্যুশয্যায় থাকা অবস্থায় মানুষকে কিবলামুখি করে রাখা হচ্ছে উত্তম। এমনভাবে যেন তার পা কিবলার দিকে থাকে। এর কারণ ‍সমূহের মধ্যে অন্যতম কারণ হচ্ছে তার মুখমন্ডল যেন কিবলামুখি থাকে এবং রোগিকে যদি উঠে বসানো হয় তাহলেও যেন তার মুখ যেন কিবলামুখি অবস্থায় থাকে। 

২- উত্তম হচ্ছে উক্ত রোগিকে আল্লাহর যিকর, শাহাদাতাইন, ইমাম (আ.)দের নাম উচ্চারণ করতে সহায়তা করা এবং তার কাছে সুরা ইয়াসিন ও সুরা সাফফাত তেলাওয়াত করা। এছাড়া নিন্মোক্ত তালকিনটি পাঠ করা: 

لا اِلهَ اِلا اللَّهُ الْحَليمُ الْكَريمُ لا اِلهَ اِلا اللَّهُ الْعَلِىُّ الْعَظيمُ سُبْحانَ اللَّهِ رَبِّ السَّمواتِ السَّبْعِ وَ رَبِّ الاَْرَضينَ السَّبْعِ وَ ما فيهِنَّ وَ ما بَيْنَهُنَّ وَ ما تَحْتَهُنَّ وَ رَبِّ الْعَرشِ الْعَظيمِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعالَمينَ وَالصَّلوةُ عَلى مُحَمَّدٍ وَ آلِهِ الطَّيِبينَ

 

৩- উত্তম হচ্ছে ঋতুবর্তি নারি এবং জুনুব নর-নারি যেন মৃত্যুশয্যা ব্যক্তির কাছে না থাকে।

  

মৃত ব্যাক্তির ক্ষেত্রে করণিয় বিষয় সমূহ: 

১- যখন মানুষ মারা যায় তখন উত্তম হচ্ছে তার চোখদ্বয়কে বন্ধ করে দেয়া। 

২- মৃত ব্যাক্তির হাতদ্বয়কে সোজা করে তার দেহের সাথে লাগিয়ে দেয়া। 

৩- মৃত ব্যাক্তির  মুখকে চেপে বন্ধ করে দেয়া। 

৪- মৃত ব্যাক্তির পা টেনে সোজা করে দেয়া। 

  

মৃত ব্যাক্তির  কাফনের কার্যাদি সমূহ: 

১- মৃত ব্যাক্তির  কাফনের তিনটি অংশ হচ্ছে ওয়াজিব (জামা, লুঙ্গি এবং চাদর)। 

২- এছাড়াও উত্তম হচ্ছে মাইয়াতের উপরের চাদরটি যেন ইয়েমেনি চাদর হয়। 

৩- মৃত ব্যাক্তি পুরুষ হোক অথবা নারি উত্তম হচ্ছে মৃত ব্যাক্তির উরুকে আলাদা কাপড় দ্বারা প্যাঁচিয়ে আবৃত করা। 

৪- মৃত ব্যাক্তি যদি পুরুষ হয় তাহলে উত্তম হচ্ছে মাথায় আমামা-এর ন্যায় (পাগড়ির ন্যায়) কাপড় বেধে দেয়া যেন তার দুই মাথা দুই কাঁধের উপরে ঝুলে থাকে। 

৫- মৃত ব্যাক্তি যদি  নারি হয় তাহলে উত্তম হচ্ছে আলাদা কাপড় দ্বারা বক্ষকে বেঁধে দেয়া। 

৬- মৃত ব্যাক্তি যদি  নারি হয় তাহলে উত্তম হচ্ছে আলাদা কাপড় দ্বারা তার মাথাকে স্কার্ফের ন্যায় আবৃত করা। 

৭- উত্তম হচ্ছে কাফনের বিভিন্ন স্থানে মুমিনগণ (فلان)শব্দটির স্থানে তাদের নিজেদের নামকে লিখবে অতঃপর লিখবে: 

 فلان يشهد ان لا اله الاّ اللّه وحده لا شريك له و انّ محمّدا رسول اللّه و انّ عليّا امير المؤمنين و الائمّة من ولدهو ائمّته ائمّة الهدى الابرار 

উত্তম হচ্ছে উক্ত শাহাদত নামাটি লেখার ক্ষেত্রে ইমাম হুসাইন (আ.) এর কবরের মাটিকে কালি স্বরূপ এবং নিজের আঙ্গুলকে কলম স্বরূপ ব্যাবহার করা।

 

 মৃত ব্যাক্তির গোসলের পদ্ধতি: 

১- গোসল দানের জন্য মৃত ব্যাক্তিকে এমন স্থানে রাখতে হবে যেন উক্ত স্থানটি লোক চক্ষুর আড়ালে থাকে। 

২- মৃত ব্যাক্তির শরির থেকে কাপড় নামানোর সময় উত্তম হচ্ছে তার পরিধানের কাপড়ের সেলাইকে ছিড়ে উপর থেকে নিচের দিকে নামানো। 

৩- গোসলের সময় উত্তম হচ্ছে তার লজ্জাংশকে কোন কাপড় দ্বারা ঢেকে দেয়া। 

৪- মৃত ব্যাক্তিকে মাইয়াতের গোসল দেয়ার পূর্বে সারা শরিরকে পরিষ্কার করে নিতে হবে। 

৫-মৃত ব্যাক্তিকে তিনটি গোসল দেয়া হচ্ছে ওয়াজিব। 

-  কুল পাতার পানি দ্বারা গোসল। 

-  কর্পূর পানি দ্বারা গোসল। 

-  সাধারণ পানি দ্বারা গোসল। 

বি:দ্র: পানিতে এত পরিমাণ বরই পাতা এবং কর্পূর না মিশানো যেন উক্ত পানি মোজাফ পানিতে (পানির রং, গন্ধ ও স্বাদ যেন পরিবর্তন না হয়)রূপান্তরিত না হয়। 

৬- মৃত ব্যাক্তিকে গোসলে তারতিবির (প্রথমে মাথা, শরিরে ডান অংশ অতঃপর শরিরের বাম অংশ)ন্যায় গোসল দিতে হবে। 

৭- যে ব্যাক্তি গোসল দিবে উত্তম হচ্ছে সে যেন মৃত ব্যাক্তির ডান দিকে অবস্থান করে। 

৮- মৃত ব্যাক্তিকে গোসল দেয়ার সময় বলতে হবে (عفواً عفواً) 

৯-  মৃত ব্যাক্তিকে গোসল দেয়ার পরে শুষ্ক কাপড় দ্বারা তার শরিরকে মুছে দিতে হবে। 

বি:দ্র: মৃত ব্যাক্তিকে গোসল দানকারি ব্যাক্তির উপরে গোসলে মাসে -মাইয়াত ওয়াজিব হয়ে যাবে। সুতরাং গাসলদানকারি ব্যাক্তি যেন অবশ্যই গোসলে মাসে মাইয়াত করে। উক্ত গোসলটি দুই পদ্ধতিতে করা যায়। 

-  গোসলে তারতিবি। (প্রথমে মাথা, শরিরের ডান অংশ অতঃপর শরিরের বাম অংশকে ধৌত করতে হবে) 

-  গোসলে ইরতেমাসি। (পানিতে ডুব দিয়ে মাটি থেকে পা তুলে গোসলটি করতে হবে)

 

 :মৃত ব্যাক্তিকে কাফন দেয়ার পদ্ধতি 

১- মৃত ব্যাক্তির লজ্জাংশের অগ্র এবং পশ্চাতে তুলা রেখে উরুতে কাপড় প্যাঁচাতে হবে এবং সম্পূর্ণ অংশটি আবৃত করে দিতে হবে। 

২- অতঃপর মৃত ব্যাক্তিকে নাভি থেকে হাটু অথবা হাটুর নিচ পর্যন্ত লুঙ্গি পরিধান করাতে হবে। 

৩- অতঃপর জামা (কামিজ) পরিধান করাতে হবে। 

৪- খেজুর অথবা অন্য কোন গাছের তরতাজা ডালকে এক হাত সমপরিমাণ করে কেটে তাতে তুলা প্যাঁচিয়ে দুই বগলের নিচে রাখা হচ্ছে উত্তম। 

৫- মৃত ব্যাক্তির শরিরের ৭টি অংশে হুনুত করা হচ্ছে ওয়াজিব। এছাড়া বুক এবং নাকের উপরে হুনুত করা হচ্ছে মুস্তাহাব। 

৪- অতঃপর চাদর দ্বারা মৃত ব্যাক্তির সম্পূর্ণ শরিরকে ঢেকে দিতে হবে। 

৫- অবশেষে চাদরের দুই মাথাকে বেধে দিতে হবে।

 

 মাইয়াতের নামাজের শর্তাবলি: 

মৃত ব্যাক্তির জন্য নামাজ পড়া হচ্ছে সকল মুসলমানদের জন্য ওয়াজিবে কেফায়ি। যদি কিছু লোক তা সম্পাদন করে তাহলেই যথেষ্ট। 

বিভিন্ন ওলামাদের মত অনুযায়ি বালেগ শিয়া ইশনা আশআরিদের উপরে নামাজে মাইয়াত পড়া হচ্ছে ওয়াজিব। এছাড়া ৬ বছরের চেয়ে কম বয়সি বাচ্চার উপরে নামাজে মাইয়াত পড়া হচ্ছে ওয়াজিব না। 

মাইয়াতকে সামনে রেখে যদি পুরুষ হয় তাহলে তাহলে ইমাম মৃত ব্যাক্তির কোমর বরাবর এবং যদি নারি হয় তাহলে মৃত ব্যাক্তির বুক বরাবর দাড়িয়ে জানাযার নামাজ পড়তে হবে। 

উক্ত নামাজের জন্য খালি পায়ে দাঁড়ানো হচ্ছে মুস্তাহাব।

 

 জানাযার নামাজ পড়ার পদ্ধতি: 

মাইয়াতের জানাযার নামাজে ৫ টি তাকবির রয়েছে। প্রত্যেকটি তাকবিরের পরে বিশেষ দোয়া রয়েছে। তাকবির উচ্চারণ করার সময় মুস্তাহাব হচ্ছে হাতদ্বয়কে উচু করা। 

প্রথম তাকবিরের (اَللَّهُ اَكْبَرُ) পরে বলতে হবে: 

اَشْهَدُ اَنْ لا اِلهَ إلاّ الله وَحْدَهُ لا شَرِیک لَهُ وَاَشْهَدُ اَنْ مُحَمَّداً عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ، اَرْسَلَهُ بِالحَقِّ بَشِیراً وَنَذِیراً بَینَ یدَی السّاعَةِ 

দ্বিতিয় তাকবিরের (اَللَّهُ اَكْبَرُ) পরে বলতে হবে: 

اللهمَّ صَلِ عَلی مُحَمَّدٍ وَآلِ مُحَمَّدٍ، وَبارِک عَلی مُحَمَّدٍ وآل مُحَمَّدٍ وَارْحَمْ مُحَمَّداً وَآلَ مُحَمَّدٍ کاَفْضَلِ ما صَلّیتَ وَبارکتَ وَتَرَحَّمْتَ عَلی إبْراهِیمَ وَآلِ إبْراهِیمَ إنَّک حَمِیدٌ مَجِیدٌ، وَصَلّ عَلی جَمیعِ الأنْبِیاءِ والمُرْسَلِینَ وَالشُّهَداءِ وَالصّدّیقِینَ وَجَمِیعِ عِبادِ الله الصّالِحِینَ 

তৃতিয় তাকবিরের (اَللَّهُ اَكْبَرُ) পরে বলতে হবে: 

اللهمَّ اغْفِرْ لِلْمُؤْمِنِینَ وَالمُؤْمِناتِ، وَالمُسْلِمِینَ وَالمُسْلِماتِ، الاَحْیاءِ مِنْهُمْ وَالاَمْواتِ، تابِعْ بَینَنا وَبَینَهمْ بِالخَیراتِ، إنَّک مُجِیبُ الدَّعَواتِ، إنَّک عَلی کلّ شَیءٍ قَدِیرٌ 

চতূর্থ তাকবিরে (اَللَّهُ اَكْبَرُ) যদি পুরুষ হয় তাহলে বলতে হবে: 

اللهمَّ إن هذا عَبْدُک وَابَنُ عَبْدِک وَابْنُ اَمَتِک نَزَلَ بِک وَاَنْتَ خَیرُ مَنْزُو لٍ بِهِ، اللهمَّ إنّا لا نَعْلَمُ مِنْهُ إلاّ خَیراً وَاَنْتَ اَعْلَمُ بِهِ مِنّا، اللهمَّ إن کانَ مُحْسِناً فَزِدْ فِی اِحْسانِهِ و آن کانَ مُسِیئاً فَتَجاوَزْ عَنْهُ وَاغْفِرْ لَهُ، اللهمَّ اجْعَلْهُ عِنْدَک فِی اَعْلی عِلّیینَ وَاخْلفْ عَلی اَهْلِهِ فِی الغابِرِینَ، وَارْحَمْهُ بِرَحْمَتِک یا اَرْحَمَ الرّاحِمِینَ 

চতূর্থ তাকবিরে (اَللَّهُ اَكْبَرُ)  যদি মৃত ব্যাক্তি নারি হয় তাহলে বলতে হবে: 

اللهمَّ إنَّ هذِهِ اَمَتُک وَابَنَةُ عَبْدِک وَابْنَةُ اَمَتِک نَزَلَتْ بِک وَاَنْتَ خَیرُ مَنْزُولٍ بِهِ، اللهمَّ إنّا لا نَعْلَمُ مِنْها إلاّ خَیراً وَاَنْتَ اَعْلَمُ بِها مِنّا، اللهمَّ إن کانَتْ مُحْسِنَةً فَزِدْ فِی إحْسانِها و إن کانَتْ مُسِیئَةً فَتَجاوَزْ عَنْها وَاغْفِرْ لَها، اللهمَّ اجْعَلْها عِنْدَک فِی اَعْلی عِلّیینَ، وَاخْلُفْ عَلی اَهْلِها فِی الغابِرِینَ، وَارْحَمْها بِرَحْمَتِک یا اَرْحَمَ الرّاحِمِینَ

পঞ্চম তাকবিরের (اَللَّهُ اَكْبَرُ) মাধ্যমে নামাজ শেষ হবে 

জানাযার নামাজের পরে বলা মুস্তাহাব হচ্ছে: 

ربّنا اتنا فى الدّنيا حسنة و فى الاخرة حسنة و قنا عذاب النّار

 

 

মাইয়াতকে কবরের দিকে নিয়ে যাওয়ার পদ্ধতি: 

১- মাইয়াতের তাবুত বা খাটিয়ার প্রথমে মাথার ডান অংশ পরে পায়ের ডান অংশ পরে পায়ের বাম অংশ এবং অবশেষে মাথার বাম অংশকে কাঁধে নেয়া হচ্ছে মুস্তাহাব। 

রাসুল (সা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, জানাযা দেখার পরে বলা উত্তম হচ্ছে: 

اَللَّهُ اَكْبَرُ هذا ما وَعَدَنَا اللَّهُ وَ رَسُولُهُ وَ صَدَقَ اللَّهُ وَ رَسُولُهُ اَللّهُمَّ زِدْنا ايماناً وَ تَسْليماً اَلْحَمْدُلِلَّهِ الَّذى تَعَزَّزَ بِالْقُدْرَةِ وَ قَهَرَ الْعِبادَ بِالْمَوْتِ

 

ইমাম জাফর সাদিক (আ.) বলেছেন: জানাযার খাটিয়া উত্তোলনের বলা উত্তম হচ্ছে 

بِسْمِ اللَّهِ وَ بِاللَّهِ اَللّهُمَّ صَلِّ عَلى مُحَمَّدٍ وَ آلِ مُحَمَّدٍ وَاغْفِرْ لِلْمُؤْمِنينَ وَ الْمُؤْمِناتِ

 

বিভিন্ন রেওয়ায়েতের বর্ণনা অনুযায়ি জানাযাকে অতি দ্রুত কবরস্থানের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মাকরূহ।

 

 মাইয়াতকে দাফনের পদ্ধতি: 

মাইয়াতকে কবরে নামানোর পূর্বে তিনবার মাটি রাখা হচ্ছে মুস্তাহাব। 

মাইয়াত যদি পুরুষ হয় তাহলে তাকে কবরে পায়ের অংশ থেকে কবরে নামানো হচ্ছে মুস্তাহাব। 

আর মাইয়াত যদি নারি হয় তাহলে তাকে কবরে সামনের অংশ থেকে কবরে নামানো হচ্ছে মুস্তাহাব। কবরে মাইয়াতকে নামানোর সময় মাহরাম ব্যাক্তিরা যেন কবরের মধ্যে অবস্থান করে। 

মৃত ব্যাক্তিকে কবরে নামানোর জন্য যারা কবরে নামবে তারা যেন কবরের পায়ের অংশ দিয়ে কবরে প্রবেশ করে এবং তাদের মাথা এবং পা যেন খালি থাকে। 

কবরে প্রবেশের পর কবরকে দেখে বলা মুস্তাহাব হচ্ছে: 

 الّلهمّ اجعلها روضة من رياض الجنّة، و لا تجعلها حفرة من حفر النّار 

মাইয়াতকে কবরে নামানোর সময় মাইয়াতের মাথার অংশকে প্রথমে কবরে নামাতে হবে এবং নামানোর সময় বলতে হবে: 

بِسْمِ اللَّهِ وَ بِاللَّهِ وَ فى سَبيلِ اللَّهِ وَ عَلى مِلَّةِ رَسُولِ اللَّهِ اَللّهُمَّ ايماناً بِكَ وَ تَصْديقاً بِكِتابِكَ هذا ما وَعَدَنَا اللَّهُ وَ رَسُولُهُ وَ صَدَقَ اللَّهُ وَ رَسُولُهُ اَللّهُمَّ زِدْنا ايماناً وَ تَسْليماً 

মাইয়াতকে ডান কাত করে কবরে রাখতে হবে যেন তার মুখ কিবলামুখি অবস্থায় মাটিতে লেগে থাকে। 

মাইয়াত যদি পুরুষ হয় তাহলে তাকে কবরে রাখার সময় বলতে হবে: 

اللهمَّ إن هذا عَبْدُک وَابَنُ عَبْدِک وَابْنُ اَمَتِک نَزَلَ بِک وَاَنْتَ خَیرُ مَنْزُو لٍ بِهِ 

মাইয়াত যদি নারি হয় তাহলে তাকে কবরে রাখার সময় বলতে হবে: 

اللّهُم اَمَتُکَ وَابنَةُ عَبدِکَ وَابنَة اَمَتِکَ نَزَلَتُ بِکَ وَاَنتَ خَیرُ مَنْزُو لٍ بِهِ 

মাইয়াত যদি পুরুষ হয় তাহলে তাকে কবরে রাখার পরে বলতে হবে: 

اَللّهُمَّ جافِ الاَرْضَ عَنْ جَنْبَيْهِ وَاصْعَدْ عَمَلَهُ  وَلَقِّهِ مِنْكَ رِضواناً 

মাইয়াত যদি নারি হয় তাহলে তাকে কবরে রাখার পরে বলতে হবে: 

اَللّهُمَّ جافِ الاَرْضَ عَنْ جَنْبَيْهَا وَاصْعَدْ عَمَلَهَا  وَلَقِّهَا مِنْكَ رِضواناً 

অতঃপর সুরা ফাতেহা, ইখলাস, ফালাক, নাস, আয়াতুল কুরসি পাঠ করা হচ্ছে উত্তম। 

ইমাম হুসাইন (আ.) এর কবরের মাটি তার কাফনের সাথে রাখা হচ্ছে মুস্তাহাব। অতঃপর বলতে হবে: 

اَللّهُمَّ صِلْ وَحْدَتَهُ وَ انِسْ وَحْشَتَهُ وَارْحَمْ غُرْبَتَهُ وَاَسْكِنْ اِلَيْهِ مِنْ رَحْمَتِكَ رَحْمَةً يَسْتَغْنى بِها عَنْ رَحْمَةِ مَنْ سِواكَ وَاحْشُرْهُ مَعَ مَنْ كانَ يَتَوَلاّهُ مِنَ الائِمَّةِ الطّاهِرينَ

 

মাইয়াতের জন্য তালকিন: 

মাইয়াতকে কবরে রেখে চলে আসার পূর্বে তালকিন পাঠ করা হচ্ছে মুস্তাহাব। 

কবরের ভিতর থেকে সকলে বাহিরে চলে আসলে যে কোন একজন কবরের মধ্যে থেকে মৃত ব্যাক্তির ডান কাঁধে ডান হাত রেখে এবং বাম কাঁধে বাম হাত রেখে মাইয়াতকে নাড়িয়ে বলতে হবে: 

বি:দ্র: (يا فلان بن فلان) উক্ত স্থানে মাইয়াত এবং মাইয়াতের পিতার নাম উল্লেখ করতে হবে:

 

পুরুষ মাইয়াতের জন্য তালকিন: 

৩ বার বলতে হবে اِسْمَعْ اِفْهَمْ (یا فُلانَ بْنَ فُلانٍ)  অতঃপর বলতে হবে:

 

هَلْ اَنْتَ عَلَى الْعَهْدِ الَّذى فارَقْتَنا عَلَیهِ مِنْ شَهادَةِ اَنْ لا اِلهَ اِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَریک لَهُ وَ اَنَّ مُحَمَّداً صَلَّى اللَّهُ عَلَیهِ وَ آلِهِ عَبْدُهُ وَ رسُولُهُ وَ سَیدُ النَبِّیینَ وَ خاتَمُ الْمُرْسَلینَ وَ اَنَّ عَلِیاً اَمیرُ الْمُؤْمِنینَ وَ سَیدُ الْوَصِیینَ وَ اِمامٌ افْتَرَضَ اللَّهُ طاعَتَهُ عَلَى الْعالَمینَ وَ اَنَّ الْحَسَنَ وَالْحُسَینَ وَ عَلِىَّ بْنَ الْحُسَینِ وَ مُحَمَّدَ بْنَ عَلِی وَ جَعْفَرَ بْنَ مُحَمَّدٍ وَ مُوسَى بْنَ جَعْفَرٍ وَ عَلِىَّ بْنَ مُوسى وَ مُحَمَّدَ بْنَ عَلِی وَ عَلِىَّ بْنَ مُحَمَّدٍ وَالْحَسَنَ بْنَ عَلِىٍّ وَالقآئِمَ الْحُجَّةَ الْمَهْدِىَّ صَلَواتُ اللَّهِ عَلَیهِمْ اَئِمَّةُ الْمُؤْمِنینَ وَ حُجَجُ اللَّهِ عَلَى الْخَلْقِ اَجْمَعینَ وَ اَئِمَّتُک اَئِمَّةُ هُدَىً اَبْرارٌ

 

(يا فلان بن فلان) উক্ত স্থানে মাইয়াত এবং মাইয়াতের পিতার নাম উল্লেখ করতে হবে: 

 (یا فُلانَ بْنَ فُلانٍ ) اِذا اَتاک الْمَلَکانِ الْمُقَرَّبانِ رَسُولَینِ مِنْ عِنْدِاللَّهِ تَبارَک وَ تعالى وَ سَئَلاک عَنْ رَبِّک وَ عَنْ نَبِیک وَ عَنْ دینِک وَ عَنْ کتابِک وَ عَنْ قِبْلَتِک وَ عَنْ اَئِمَّتِک فَلا تَخَفْ وَ قُلْ فى جَوابِهِما اَللَّهُ جَلَّ جَلالُهُ رَبّى وَ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللَّهُ عَلَیهِ وَ آلِهِ نَبِیى وَالاْسْلامُ دینى وَ الْقُرْآنُ کتابى وَالْکعْبَهُ قِبْلَتى وَ اَمیرُالْمُؤْمِنینَ عَلِىُّ بْنُ اَبیطالِبٍ اِمامى وَالْحَسَنُ بْنُ عَلِی الْمُجْتَبى اِمامى وَ الْحُسَینُ بْنُ عَلِی الشَّهیدُ بِکرْبَلاءَ اِمامى وَ عَلِىُّ زَینُ الْعابِدینَ اِمامى وَ مُحَمَّدٌ باقِرُ عِلْمِ النَّبِیینَ اِمامى وَ جَعْفَرٌ الصّادِقُ اِمامى وَ مُوسَى الْکاظِمُ اِمامى وَ عَلىُّ الرِّضا اِمامى وَ مُحَمَّدٌ الْجَوادُ اِمامى وَ عَلِىُّ الْهادى اِمامى وَ الْحَسَنُ الْعَسْکرىُّ اِمامى وَالْحُجَّةُ الْمُنْتَظَرُ اِمامى هؤُلاءِ صَلَواتُ اللَّهِ عَلَیهِمْ اَجْمَعینَ اَئِمَّتى وَ سادَتى وَقادَتى وَ شُفَعآئى بِهِمْ اَتَوَلّى وَ مِنْ اَعْدآئِهِمْ اَتَبَرَّءُ فِى الدُّنْیا وَالاْخِرَةِ

 

(يا فلان بن فلان) উক্ত স্থানে মাইয়াত এবং মাইয়াতের পিতার নাম উল্লেখ করতে হবে: 

ثُمَّ اعْلَمْ یا فُلانَ بْنَ فُلانٍ اَنَّ اللَّهَ تَبارَک وَ تَعالى نِعْمَ الرَّبُّ وَ اَنَّ مُحَمَّداً صَلَّى اللَّه عَلَیهِ وَ آلِهِ نِعْمَ الرَّسُولُ وَ اَنَّ اَمیرَ الْمُؤْمِنینَ عَلِىَّ بْنَ اَبى طالِبٍ وَ اَوْلادَهُ الاْئِمَّةَ الاْحَدَ عَشَرَ نِعْمَ الاْئِمَّةُ وَ اَنَّ ما جآءَ بِهِ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللَّهُ عَلَیهِ وَ آلِهِ حَقُّ وَ اَنَّ الْمَوْتَ حَقُّ وَ سُؤالَ مُنْکرٍ وَ نَکیرٍ فِى الْقَبْرِ حَقُّ وَالْبَعْثَ حَقُّ وَالنُّشُورَ حَقُّ وَ الصِّراطَ حَقُّ وَالْمیزانَ حَقُّ وَ تَطائُرَ الْکتُبِ حَقُّ وَالْجَنَّةَ حَقُّ وَ النّارَ حَقُّ وَ اَنَّ السّاعَةَ آتِیةٌ لارَیبَ فیها وَ اَنَّ اللَّهَ یبْعَثُ مَنْ فِى الْقُبُورِ 

 

অতঃপর (يا فلان بن فلان) স্থানে মাইয়াত এবং তার পিতার নাম উচ্চারণ করে বলতে হবে: 

اَفَهِمْتَ (يا فلان بن فلان) ثَبَّتَک اللَّهُ بِالْقَوْلِ الثّابِتِ هَداک اللَّهُ اِلى صِراطٍ مُسْتَقیمٍ عَرَّفَ اللَّهُ بَینَک وَ بَینَ اَوْلِیائِک فى مُسْتَقرٍّ مِنْ رَحْمَتِهِ  

অতঃপর বলতে হবে: 

اَللّهُمَّ جافِ الاْرْضَ عَنْ جَنْبَیهِ وَاصْعَدْ بِرُوحِهِ اِلَیک وَلَقِّهِ مِنْک بُرْهاناً اَللّهُمَّ عَفْوَک عَفْوَک 

 

নারি মাইয়াতের জন্য তালকিন: 

৩ বার বলতে হবে اِسْمَعی اِفْهَمی (یا فُلانَ بِنتُ فُلانٍ)  অতঃপর বলতে হবে: 

اِسْمَعی اِفْهَمی یا فُلانَ بِنتُ فُلانٍ  هَلْ اَنْتِ عَلَى الْعَهْدِ الَّذى فارَقْتَنا عَلَیْهِ، مِنْ شَهادَهِ اَنْ لا اِلهَ اِلا اللَّهُ، وَحْدَهُ لا شَریکَ لَهُ، وَ اَنَّ مُحَمَّداً صَلَّى اللَّهُ عَلَیْهِ وَ آلِهِ عَبْدُهُ وَ رسُولُهُ، وَ سَیِّدُ النَبِّییّنَ وَ خاتَمُ الْمُرْسَلینَ، وَ اَنَّ عَلِیّاً اَمیرُ الْمُؤْمِنینَ، وَ سَیّدُ الْوَصِیّینَ، وَ اِمامٌ افْتَرَضَ اللَّهُ طاعَتَهُ عَلَى الْعالَمینَ، وَ اَنَّ الْحَسَنَ وَالْحُسَیْنَ، وَ عَلِىَّ بْنَ الْحُسَیْنِ، وَ مُحَمَّدَ بْنَ عَلِی، وَ جَعْفَرَ بْنَ مُحَمَّدٍ، وَ مُوسَى بْنَ جَعْفَرٍ، وَ عَلِىَّ بْنَ مُوسى، وَ مُحَمَّدَ بْنَ عَلِی، وَ عَلِىَّ بْنَ مُحَمَّدٍ، وَالْحَسَنَ بْنَ عَلِىٍّ، وَالقآئِمَ الْحُجَّهَ الْمَهْدِىَّ، صَلَواتُ اللَّهِ عَلَیْهِمْ، اَئِمَّهُ الْمُؤْمِنینَ، وَ حُجَجُ اللَّهِ عَلَى الْخَلْقِ اَجْمَعینَ، وَ اَئِمَّتُک، اَئِمَّهُ هُدَىً اَبْرارٌ 

(يا فلان بِنتُ فلان) উক্ত স্থানে মাইয়াত এবং মাইয়াতের পিতার নাম উল্লেখ করতে হবে: 

يا فلان بِنتُ فلان  اِذا اَتاکِ الْمَلَکانِ الْمُقَرَّبانِ، رَسُولَیْنِ مِنْ عِنْدِاللَّهِ تَبارَکَ وَ تعالى، وَ سَئَلکِ عَنْ رَبِّکِ، وَ عَنْ نَبِیِّکِ، وَ عَنْ دینِکِ، وَ عَنْ کِتابِکِ، وَ عَنْ قِبْلَتِکِ، وَ عَنْ اَئِمَّتِکِ، فَلا تَخَافْی، وَ قُولی فى جَوابِهِما، اَللَّهُ جَلَّ جَلالُهُ رَبّى، وَ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللَّهُ عَلَیْهِ وَ آلِهِ نَبِیّى، وَالْاِسْلامُ دینى، وَ الْقُرْآنُ کِتابى، وَالْکَعْبَهُ قِبْلَتى، وَ اَمیرُالْمُؤْمِنینَ عَلِىُّ بْنُ اَبیطالِبٍ اِمامى، وَالْحَسَنُ بْنُ عَلِی الْمُجْتَبى اِمامى، وَ الْحُسَیْنُ بْنُ عَلِی الشَّهیدُ بِکَرْبَلاءَ اِمامى، وَ عَلِىُّ زَیْنُ الْعابِدینَ اِمامى، وَ مُحَمَّدٌ باقِرُ عِلْمِ النَّبِیّینَ اِمامى، وَ جَعْفَرٌ الصّادِقُ اِمامى، وَ مُوسَى الْکاظِمُ اِمامى، وَ عَلىُّ الرِّضا اِمامى، وَ مُحَمَّدٌ الْجَوادُ اِمامى، وَ عَلِىُّ الْهادى اِمامى، وَ الْحَسَنُ الْعَسْکَرىُّ اِمامى، وَالْحُجَّهُ الْمُنْتَظَرُ اِمامى، هؤُلاءِ صَلَواتُ اللَّهِ عَلَیْهِمْ اَجْمَعینَ اَئِمَّتى وَ سادَتى وَقادَتى، وَ شُفَعآئى بِهِمْ اَتَوَلّى وَ مِنْ اَعْدآئِهِمْ اَتَبَرَّءُ فِى الدُّنْیا وَالاْخِرَهِ 

(يا فلان بِنتُ فلان) উক্ত স্থানে মাইয়াত এবং মাইয়াতের পিতার নাম উল্লেখ করতে হবে: 

ثُمَّ اعْلَمی يا فلان بِنتُ فلان  اَنَّ اللَّهَ تَبارَکَ وَ تَعالى نِعْمَ الرَّبُّ، وَ اَنَّ مُحَمَّداً صَلَّى اللَّه عَلَیْهِ وَ آلِهِ نِعْمَ الرَّسُولُ، وَ اَنَّ اَمیرَ الْمُؤْمِنینَ عَلِىَّ بْنَ اَبى طالِبٍ، وَ اَوْلادَهُ الاْئِمَّهَ الْاَحَدَ عَشَرَ نِعْمَ الْاَئِمَّهُ، وَ اَنَّ ما جآءَ بِهِ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللَّهُ عَلَیْهِ وَ آلِهِ حَقُّ، وَ اَنَّ الْمَوْتَ حَقُّ، وَ سُؤالَ مُنْکَرٍ وَ نَکیرٍ فِى الْقَبْرِ حَقُّ، وَالْبَعْثَ حَقُّ، وَالنُّشُورَ حَقُّ، وَ الصِّراطَ حَقُّ، وَالْمیزانَ حَقُّ، وَ تَطائُرَ الْکُتُبِ حَقُّ، وَالْجَنَّهَ حَقُّ، وَ النّارَ حَقُّ، وَ اَنَّ السّاعَهَ آتِیَهٌ لارَیْبَ فیها، وَ اَنَّ اللَّهَ یَبْعَثُ مَنْ فِى الْقُبُورِ 

অতঃপর (يا فلان بِنتُ فلان) স্থানে মাইয়াত এবং তার পিতার নাম উচ্চারণ করে বলতে হবে: 

اَفَهِمْتِ يا فلان بِنتُ فلان  ثَبَّتَکِ اللَّهُ بِالْقَوْلِ الثّابِتِ، هَداکِ اللَّهُ اِلى صِراطٍ مُسْتَقیمٍ، عَرَّفَ اللَّهُ بَیْنَکِ وَ بَیْنَ اَوْلِیائِکِ فى مُسْتَقرٍّ مِنْ رَحْمَتِهِ 

অতঃপর বলতে হবে: 

اَللّهُمَّ جافِ الْاَرْضَ عَنْ جَنْبَیْها وَاصْعَدْ بِرُوحِها اِلَیْکَ وَلَقِّها مِنْکَ بُرْهاناً اَللّهُمَّ عَفْوَکَ عَفْوَکَ 

কবর থেকে বাহির হওয়ার সময় পায়ের অংশ থেকে বাহির হতে হবে। 

উত্তম হচ্ছে সকলে যেন হাতের উল্টা দিক থেকে কবরের উপরে কমপক্ষে ৩ বার মাটি দেয় এবং মাটি দেওয়ার সময় বলতে হবে:

إِنَّا لِلّهِ وَإِنَّـا إِلَيْهِ رَاجِعونَ  

কবরের উপরের মাটিকে চার আঙ্গুল পরিমাণ উচু করা হচ্ছে মুস্তাহাব। কবরের উপরে অন্য স্থানের মাটি না দেয়া। 

কিবলামুখি হয়ে কবরের মাথার অংশ থেকে পায়ের দিকে এবং পুণরায় পায়ের অংশ থেকে মাথার দিকে পানি দেয়া হচ্ছে দেয়া হচ্ছে মুস্তাহাব। আর যদি পানি অবশিষ্ট থেকে যায় তাহলে তা কবরের মাঝে ঢেলে দিতে হবে। 

সকলে কিবলামুখি হয়ে কবরের উপরে মাটিতে হাতের আঙ্গুল রেখে ৭ বার সুরা কদর পাঠ করবে। আঙ্গুলগুলো এমনভাবে আঙ্গুল রাখবে যেন মাটিতে তার চিহ্ন পরিলক্ষিত হয়। অতঃপর নিন্মোক্ত দোয়াটি পাঠ করা উত্তম: 

اَللّهُمَّ انِسْ وَحْشَتَهُ وَارْحَمْ غُرْبَتَهُ وَاَسْكِنْ رَوْعَتَهُ وَصِلْ وَحْدَتَهُ وَاَسْكِنْ اِلَيْهِ مِنْ رَحْمَتِكَ رَحْمَةً يَسْتَغْنى بِها عَنْ رَحْمَةِ مَنْ سِواكَ وَ احْشُرْهُ مَعَ مَنْ كانَ يَتَوَلاّهُ 

কবরের নিকট থেকে সকলে চলে গেলে যে কোন একজন কবরের কাছে থেকে নারি ও পুরুষের জন্য উল্লেখিত তালকিনটি মৃত ব্যাক্তির জন্য পাঠ করা হচ্ছে মুস্তাহাব।