কেন মহানবী (সাঃ) এর পবিত্র লাশ মুবারক তিনদিন পরে দাফন করা হয়েছিল?

(১) - হজরত আলী (আঃ) সকল সাহাবী ও আনছারদের জন্য এই তিনদিন অপেক্ষা করছিলেন যাতে সকলেই নবী সাঃ জানাজায় শরীক হতে পারেন কেননা অধিকাংশ তখন উপস্হিত ছিলোনা !!!

কেন মহানবী (সাঃ) এর পবিত্র লাশ মুবারক তিনদিন পরে দাফন করা হয়েছিল?

ইমাম জাওয়াদ, ইমাম তাকি, Imam jawad, mohammad taki, imam taki, মিয়ানমার, যুহাইর বিন কাইন, জুহাইর বিন কাইন, zuhair bin Kain, যোহাইর, যোহাইর বিন কাইন, লাইলা, উম্মে লাইলা, Laila, umme laila, Hazrat ali akbar, ali akbar, হজরত আলী আকবর, আলী আকবর, কারবালা, কুবানি, kubani, সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ী, আমেরিকা, ভারত, মিয়ানমার, চীন, নরেন্দ্র মোদি, আসাম, ওবামা, বারাক ওবামা, মুখতার সাকাফি, মোখতার সাকাফি, mokhter sakafi, জাবের ইবনে হাইয়ান, ইমাম সাদিক, সুইডেন, Hazrat fizza, hazrat fijja, হজরত ফিজ্জা, হজরত ফিযযা, সিরিয়া, শাম, এজিদের দরবার, জয়নাব, সকিনা, রাফাহ ক্রসিং, অবমাননা, মহানবী, hussain, mohammad, imam mahdi, সিফফিন, জামালের যুদ্ধ, নারওয়ানের যুদ্ধ, খলিফা, খেলাফত, ইমামত, আলী, সিদ্দীক, ফারুক, মোর্তযা, বদর, ওহদ, খন্দক, খায়বার, বণী Shia, Sunni, Islam, Quran, Karbala, najaf, kufa, mashad, samera, madina, makka, jannatul baqi, kazmain, ali, Fatima, hasan, সাকিফা, বণী সায়াদা, সাহাবী, হিজবুল্লাহ, ইসরাইল, ড্রোন, বিমান, হাসান নাসরুল্লাহ, লেবানন, ইরান, চীন, মালয়েশিয়া, স্যাটেলাইট, কুয়ালালামপুর, বেইজিং, ভিয়েতনাম, মার্কিন, গোয়েন্দা, ইরাক, সিরিয়া, মিশর, আল কায়েদা, তাকফিরী, ইখওয়ানুল মুসলেমিন, বাংলাদেশ, ভারত, জিহাদ, ফিলিস্তিন, ইহুদি, গাজা, শহীদ, জিহাদ, ক্ষেপণাস্ত্র, দূতাবাস, সৌদি আরব, কুয়েত, রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন, আমেরিকা, ভিয়েনা, পরমাণু, বাহারাইন, আফগানিস্থান, থাইল্যান্ড, হজরত ফাতিমা, মার্জিয়া, সিদ্দিকা, মোহাদ্দেসা, বাতুল, উম্মে আবিহা, যাহরা, মুবারেকা, যাকিয়া, তাহেরা, রাযিয়া, জিহাদুন নিকাহ, পোপ, পাদ্রি, বাইতুল মোকাদ্দাস, ওহাবী, সালাফি, মুফতি, ড্রোন, পাকিস্থান, এজিদ, মাবিয়া, আবু সুফিয়ান, আলী আকবর, হুসাইন, শাবান, আমল, শবে বরাত, রমজান, দায়েশ, তাকফিরী, তালেবান, মোতা, মোতা বিবাহ, সেগা করা, দায়েশ, তাকফিরি, তালেবান, ওহাবী, আইএসআইএল, গাজা, ফিলিস্তিন, ইসরাইল, শিশু হত্যা, কুদস দিবস, জুমআতুল বিদা, কুদস, সাদক্বা, দান খয়রাত, ফেতরা, জাকাত, সাদকা, ভিক্ষা, শবে বরাত, লাইলাতুল বরাত, দায়েশ, জঙ্গি, দামেস্ক, ইসরাইল, সাইবার হামলা, ‍ৃ

এর পিছনে অনেকগুলো সামাজিক ও রাজনৈতিক কারন ছিলো  যথা :

(১) - হজরত আলী (আঃ) সকল সাহাবী ও আনসারদের জন্য এই তিনদিন অপেক্ষা করছিলেন যাতে সকলেই নবী (সাঃ) জানাজায় শরীক হতে পারেন কেননা অধিকাংশ সাহাবি তখন সেখানে উপস্হিত ছিলেন না !!!

( ২) - যদি হজরত আলি (আ.) তাড়াতাড়ি রাসুল (সা.)এর পবিত্র লাশকে দাফন করতেন তাহলে পরে লোকজন অভিযোগ করতো যে , কেন আমাদের জন্য একটুও অপেক্ষা করা হলোনা ! আর দ্রুত দাফন করে দেওয়া হলো।
যদি আমাদের অপেক্ষা করা হত তাহলে আমরাও জানাজায় শরীক হতে পারতাম এই অভিযোগ পরে যেন কেউ না করেন তাই হজরত আলী (আঃ) তাদের জন্য তিনদিন অপেক্ষা করেছিলেন (যদিও তারা তিনদিনের মধ্যেও রাসুল (সা.)এর লাশ দাফন করার জন্য আসেনি )!!!

(৩) - যদি হজরত আলি (আ.) দ্রুত রাসুল (সা.)এর  লাশ দাফন করতেন তাহলে আজ আর কেউ, বনু সাকীফার,,ঘটনা কি এবং ওখানে সেই সময় কি জঘন্য ঘটনা ঘটেছিল কেউ জানতে পারত না । বনু সকিফার ঘটনা ইতিহাসের পাতা থেকে হারিয়ে যেতো ।

আল্লাহর রাসুলের লাশ মুবারক তিনদিন রেখে মাওলা আলী (আঃ) বনু সকীফায় অংশগ্রহণকারিদের মুখোশ  উন্মোচন করে ছিলেন ।.

সত্যি যদি রাসুলকে তাড়াতাড়ি দাফন করে দেয়া হত তখন সাকীফা কে যেমন ভাবে আমরা আজ দেখছি হয়তো সেই ভাবে দেখতে পেতাম না ।

রাসুলের পবিত্র লাশ ফেলে রেখে ওনার গোসল , কাফন ও দাফনে অংশগ্রহন না করে বনু সাকীফায় সংঘটিত জঘন্য কুৎসিত নোংরামিকেই হজরত আলী (আঃ) জনসম্মুখে এনে দিয়েছেন !

তারা কত নিষ্ঠুর ও নিকৃষ্ট ছিলো এতেই বোঝা যায় যে , রাসুলের পবিত্র লাশ পড়ে আছে আর তারা গোল মিটিং করছে যে , কে রাসুলের স্হানে আসন গ্রহন করবে !!!!! রাসুলের জানাজা থেকে ক্ষমতার হালুয়া রুটি ভাগ বাটোয়ারা তাদের কাছে সবার উপরে স্থান পেয়েছিল ! হায় , এই হচ্ছে মহানবীর সাহাবা-চরিত্র !

যেমনটি কদাচিৎ দেখি যে , আমাদের সমাজে যখন এক বাপের কয়েকটি কুসন্তান হয় তারা বাপের গোসল কাফনে ব্যাস্ত না হয়ে জমিজায়গার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে নিজেদের মধ্য ঝগড়া করে ।

(৪) - বর্ননা হয়েছে..মানুষ মারা গেলে যদি মরহুম সাধারন ব্যাক্তি হয় তাহলে সেক্ষেত্রে খুবই শিগগির দাফন কাফন করা উচিত ।
কিন্তু মরহুম যদি কোন আল্লাহর অলি বা কোন বড় পরহেজগারও আলেম ব্যাক্তি হন তাহলে সেক্ষেত্রে একদিন অথবা দুইদিন বা তিনদিন (যদি লাশ খারাপ হওয়ার আশংকা না থাকে) রাখা যায় । যাতে সকলে এসে তার জানাজায় শরীক হতে পারে। এবং তার পরিবারের লোক ভালোভাবে শোক পালন করতে পারে ।