পবিত্র রমণীর জন্যে বেহেশতী পোশাক

পবিত্র রমণীর জন্যে বেহেশতী পোশাক

পবিত্র রমণীর জন্যে বেহেশতী পোশাক

হজরত ফাতিমা, মার্জিয়া, সিদ্দিকা, মোহাদ্দেসা, বাতুল, উম্মে আবিহা, যাহরা, মুবারেকা, যাকিয়া, তাহেরা, রাযিয়া, Shia, Sunni, Islam, Quran, Karbala, najaf, kufa, mashad, samera, madina, makka, jannatul baqi, kazmain, ali, Fatima, hasan, hussain, mohammad, imam mahdi
একদা কয়েকজন ইহুদী একটা বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। এ কারণে তারা মহানবীর নিকট এসে বললো :“ প্রতিবেশী হিসেবে আমাদের উপর আপনার অধিকার আছে। আমরা আপনাকে অনুরোধ করছি দয়া করে আপনার মেয়ে ফাতেমাকে আমাদের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে পাঠাবেন। আশা করি তার বদৌলতে এই বিয়ের অনুষ্ঠান আরো বেশী সৌন্দর্যমণ্ডিত হয়ে উঠবে। এ নিমন্ত্রনে হযরত ফাতেমার অংশগ্রহণের ব্যাপারে তারা নবী (সা.)-কে বেশ পীড়াপীড়ি করছিল।”
মহানবী (সা.) বললেন :“ সে (ফাতেমা) আলী বিন আবি তালিবের স্ত্রী। আর তার নির্দেশেই সে (ফাতেমা) পরিচালিত হয়।”
তারা বিনীত কণ্ঠে এ ব্যাপারে নবী (সা.)-কে মধ্যস্থতা করার জন্যে আরজি পেশ করে।
ইহুদীরা এ বিয়ের অনুষ্ঠানে আকর্ষণীয় সব ধরনের জাকজমকপূর্ণ পোশাক,অলংকার ও সৌন্দর্যের সমাবেশ ঘটিয়েছিল। তারা মনে করেছিল যে,হযরত ফাতেমা পুরাতন ও ছেঁড়া কাপড় পরিধান করে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবে। আর তারা এভাবে তাঁকে অপমান ও খাটো করতে চেয়েছিল।
এ সময়ে হযরত জিবরাঈল (আ.) অত্যন্ত জাকজমকপূর্ণ অলংকারাদিসহ এমন জান্নাতি পোশাক নিয়ে আসলেন যার দ্বিতীয়টি মানুষ কখনো দেখেনি। হযরত ফাতেমা (আ.) সেই কাপড় পড়ে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করলে দর্শকরা তার কাপড়ের রং দেখে ও সুঘ্রান পেয়ে বিস্ময়াভিভূত হয়ে যায়। হযরত ফাতেমা (আ.) ইহুদীদের গৃহে প্রবেশ করলে ইহুদী মহিলারা তাঁর সামনে সেজদাবনত হয়ে মাটিতে চুমু খেতে শুরু করে। সেদিন উপস্থিত অনেক ইহুদী এ অলৌকিক ঘটনা দেখে ইসলাম গ্রহণ করেছিল।(বিহারুল আনওয়ার,৪৩তম খণ্ড,পৃ. ৩০)