ইমাম মূসা কাযিম (আ.) এর হাদীস – ৩

ইমাম মূসা কাযিম (আ.) বলেছেনঃ যখন একজন মুমিন মারা যায়, তখন ফেরেস্তারা যেখানে সে ইবাদত করতো এবং আসমানী যে পথে তার আমল উর্ধ্বগমন করতো সেখানে ক্রন্দন করে এবং ইসলামে তার শূন্যস্থান কোন জিনীষের বিনিময়ে পূর্ণ হয় না কেননা মুমিনগণ হচ্ছে ইসলামের চারিপাশে পরিবেষ্

ইমাম মূসা কাযিম (আ.) এর  হাদীস – ৩
امام موسي بن جعفر ـ عليه السّلام :‌«اذا مات المؤمن بكت عليه الملائكه و بقاع الارض التي كان يعبد الله عليها و ابواب السماء التي كان يصعد اعمالها فيها و ثلم ثلمة في الاسلام لايسدها شييء لان المؤمنين حصون الاسلام كحصون سور المدينة لها
ইমাম মূসা কাযিম (আ.) বলেছেনঃ যখন একজন মুমিন মারা যায়, তখন ফেরেস্তারা যেখানে সে ইবাদত করতো এবং আসমানী যে পথে তার আমল উর্ধ্বগমন করতো সেখানে ক্রন্দন করে এবং ইসলামে তার শূন্যস্থান কোন জিনীষের বিনিময়ে পূর্ণ হয় না কেননা মুমিনগণ হচ্ছে ইসলামের চারিপাশে পরিবেষ্টিত দেয়াল এবং প্রহরী স্বরূপ। মানিয়াতুল মুরিদ, পৃষ্ঠা ৩০, আল কাফি, খন্ড ১, পৃষ্ঠা ৩৮, হাদীস নং ৩।
উক্ত হাদীসে মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে এবং তার মৃত্যুর কারণে ফেরেস্তারাও ক্রন্দন করে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কোন ধরণের মানুষের মৃত্যুর কারণে ফেরেস্তারা ক্রন্দন করে? সহজ উত্তর হচ্ছে যে মুমিনদের জন্য কেননা একমাত্র মুমিনরাই মৃত্যু থেকে ভয় পাই না। কারণ তারা জানে যে, মৃত্যু তাদেরকে এক দুনিয়া থেকে অন্য এক দুনিয়াতে স্থান্তরিত করার নামমাত্র।
মুমিনদের মৃত্যুতে যে ঘটনাবলি ঘটে যেমনঃ ফেরেস্তারা তার জন্য ক্রন্দন করে
- যে স্থানে সে ইবাদত করতো।
- আসমানী দরজায় যেখানে তার দোয়া কবুল হতো।
- ইসলামে ফাটল ধরে, কেননা মুমিন হচ্ছে ইসলামী দূর্গের প্রহরী স্বরূপ যদি সে না থাকে তাহলে শত্রুরা অনায়াসে প্রবেশ করতে এবং ইসলামকে ধ্বংস করতে পারবে।
আহলে বাইত (আ.) এর মক্তবের একজন মুমিনের গুণাবলি হচ্ছে সে হবেঃ
- আলেম।
- ফক্বিহ।
- বুদ্ধিমান।
আমরা উক্ত হাদীস থেকে বুঝতে পারি যে, মহান আল্লাহর নিকট মুমিনদের সম্মান ও মর্যাদা কত রয়েছে। তাই সকল মুসলমানদের চেষ্টা করা উচিত নিজেকে প্রকৃত মুমিনরূপে গড়ে তোলা।