হজরত কুমাইলের জন্যে ইমাম আলী (আ.) এর ওসিয়ত -৭

হজরত কুমাইলের জন্যে ইমাম আলী (আ.) এর ওসিয়ত -৭

হজরত কুমাইলের জন্যে ইমাম আলী (আ.) এর ওসিয়ত -৭
হে কুমাইল! ঈমান দুই প্রকার, মুস্তাকার (ধ্রুব বিশ্বাস) এবং মুসতাওদা’ (কাল্পনিক বিশ্বাস)। যদি মুস্তাকার ঈমানের অধিকারী হতে চাও তাহলে আলোর পথে ধাবিত হও এবং বিপথ ও বিচ্যুতি থেকে দূরে সরে থাক।
হে কুমাইল! ওয়াজিব কাজ ত্যাগ করার অনুমতি কাউকে দেওয়া হয়নি অনুরূপ ভাবে কষ্ট করে মুস্তাহাব কাজের অনুমতিও কাউকে দেওয়া হয়নি।
হে কুমাইল! আহলে বাইতের ইমামগণের (আ.)বেলায়াত ও বন্ধুত্বকে মেনে নিয়ে তোমার ইমান সংরক্ষণ কর। যেন শয়তান তোমারধন-সম্পদ ও সন্তানদের মধ্যে অনুপ্রবেশ করতে না পারে।
হে কুমাইল! নি:সন্দেহে তোমার ভালো কর্মের তুলনায় গোনাহের পরিমাণ অতি বেশী এবং আল্লাহর জিকিরের তুলনায় অবহেলার(অবজ্ঞার) পরিমাণ অতি বেশী। আর তোমার কর্মের ও পরিশ্রমের তুলনায় আল্লাহর নেয়ামত অতি বেশী।
হে কুমাইল! তুমি আল্লাহর নেয়ামতের বাইরে নও। আল্লাহ তায়ালা তোমাকে সুস্থতা দান করেছেন। সুতরাং আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন কর এবং আল্লাহর দেয়া নেয়ামতের জন্য তার জিকির ও প্রশংসা করতে কখনই ভুল না।
হে কুমাইল! তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না যাদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেছেন: এবং তাদের মতো হয়ো না যারা আল্লাহকে বিস্মৃত হয়েছে; ফলে আল্লাহ তাদের আত্মবিস্মৃত করেছেন। ‘(«نَسُوا اللَّهَ فَأَنسَاهُمْ أَنفُسَهُمْ أُوْلئِكَ هُمُ الْفَاسِقُونَ. সূরা আল-হাশর /১৯।
তাদের মত হয়োনা, যারা আল্লাহকে ভূলে গিয়েছে। সুতরাং আল্লাহ তায়ালা তাদের কর্মের জন্য তাদের কে স্মরণ করে না এবং তাদেরকে পাপাচারী হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
)প্রকৃতপক্ষে তারাই অবাধ্য ও ফাসেক।
সূত্রঃ ইন্টারনেট