নৈতিকতার দৃষ্টিতে তওবা করা ওয়াজিব -৪

নৈতিকতার দৃষ্টিতে তওবা করা ওয়াজিব -৪

নৈতিকতার দৃষ্টিতে তওবা করা ওয়াজিব -৪
মহান আল্লাহ হযরত আদম(আ.) ও তাঁর স্ত্রীর অনুতাপ ও নিজেদের অন্যায় স্বীকার করাকে পছন্দনীয় কাজ হিসাবে উল্লেখ করেছেন এবং এটাকে তাদেরতওবা বলে গ্রহণ করে নিয়েছেন। এবং সুরা বাকারার ৩৭ নং আয়াতে তাদের এ তওবাকে গ্রহণ করেছেন। তবে আমাদেরকে অবশ্যই মনে রাখতে হবেযে, মহান আল্লাহর দরবারে ভুল স্বীকার ও তওবা করার ক্ষেত্রে বিনয়, নম্রতা ও আন্তরিকতা খুবই জরুরী। নীতিশাস্ত্রের শিক্ষকদের দৃষ্টিতে অহংকার হচ্ছেবান্দা ও স্রষ্টার মধ্যে পর্দা ও প্রতিবন্ধক স্বরূপ। আর বিনয় ও নম্রতা হচ্ছে মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের সরল-সোজা ও উন্মুক্ত পথ। বিনয় ও নম্রতাহচ্ছে ঐশী অবদান এবং গোনাহ থেকে মুক্তি ও মহান আল্লাহর দাসত্ব ও বন্দেগী করার জন্য তা পালন করা অপরিহার্য। সুতরাং গোনাহ থেকে তওবা করারঅর্থ হচ্ছে মহান আল্লাহর কাছে নমনীয় হওয়া এবং অহংকার ও দাম্ভিকতা থেকে বেরিয়ে আসা। অতএব নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও তওবা করা অপরিহার্য।
অহংকার সম্পর্কে হাদিসে বর্ণিত হয়েছে:
عَن حَكيم قَالَ : سَأَلْتُ أبَا عَبدِاللهِ (عليه السلام) عَن اَدْنَى الاِلْحادِ ، فَقالَ : اِنَّ الكِبْرَ أَدْناهُ
হাকিম বলেন, ইমাম জাফর সাদিক(আ.)-এর কাছে আল্লাহকে অস্বীকার করার সর্ব নিম্ন স্তর সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম, ইমাম বললেন: আল্লাহকে অস্বীকারকরার সর্ব নিম্ন স্তর হচ্ছে অহংকার।বিহারুলন আনওয়ার 70তম খন্ড,পৃ: 190; বাব-130, হাদিস-1।
সূত্রঃ আনসারীয়ানের তথ্যকেন্দ্র