কৈশোরে লবণ কম খেলে পূর্ণ বয়সে সুস্থ থাকা যায়

কৈশোরে লবণ কম খেলে পূর্ণ বয়সে সুস্থ থাকা যায়

কৈশোরে লবণ কম খেলে পূর্ণ বয়সে সুস্থ থাকা যায়
কিশোর-কিশোরীরা যদি দৈনিক লবণ খাওয়ার মাত্রা দেড় চামচ বা তিন হাজার মিলিগ্রাম হ্রাস করতে পারে তবে পূর্ণবয়সে তাদের হৃদরোগ ও স্ট্রোকের মাত্রা উল্লেখযোগ্য ভাবে হ্রাস পাবে। চলতি সপ্তাহে শিকাগোতে অনুষ্ঠিত আমেরিকান হার্ট এসোসিয়েশনের সম্মেলনে এ সংক্রান্ত তথ্য উপস্থাপন করেছেন গবেষকরা। গবেষকরা দেখতে পেয়েছেন, কৈশোরে লবণ খাওয়ার মাত্রা তিন হাজার মিলিগ্রাম হ্রাস করতে পারলে পূর্ণ বয়সে তাদের উচ্চ রক্তচাপের আশংকা ৩০ থেকে ৪৩ শতাংশ হ্রাস পাবে। হাইপারটেনশন বা উচ্চরক্ত চাপে আক্রান্ত হওয়ার সাথে সাথেই তার সব লক্ষণ বা উপসর্গ দেখা যায় না বা রোগী সব সময় তা বুঝে উঠতে পারে না। বহু বছর ধরে এ রোগের উপসর্গ সুপ্ত থাকতে পারে। হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্য সংকট এ রোগের কারণে দেখা দিতে পারে। শিকাগোর সম্মেলনে গবেষকরা আরো যে সব তথ্য দিয়েছেন তাতে বলা হয়েছে, কিশোর বয়সে কম লবণ খেলে ৫০ বছর বয়সে করোনারি হৃদ রোগে আক্রান্ত হবার আশংকা ৭ থেকে ১২ শতাংশ হ্রাস পাবে। একই সাথে হার্ট অ্যাটাকের আশংকা ৮ থেকে ১৪ শতাংশ এবং স্ট্রোকের আশংকা ৫ থেকে ৮ শতাংশ হ্রাস পাবে। আমেরিকান হার্ট এসোসিয়েশন দৈনিক সর্বোচ্চ ১৫০০ মিলিগ্রাম বা এক চামচের কম লবণ গ্রহণ করা উচিত বলে মনে করে। অন্যদিকে মার্কিন কিশোর-কিশোরীরা দৈনিক ৩৮০০ মিলিগ্রামের বেশি লবণ খায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আর কোনো বয়সে মানুষ এতো বেশি লবণ খায় না। পনির বা টিনজাত খাবার থেকে শুরু করে যে কোনো প্রক্রিয়াজাত খাদ্যেই অতিমাত্রায় লবণ থাকে। পিৎজ্জায় লবণের মাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে। এ ছাড়া ফার্স্ট ফুড নামে পরিচিত যে সব খাবার পাওয়া যায় তার সবগুলোতেই অধিক মাত্রায় লবণ থাকে বলে জাতীয় স্বাস্থ্য পরিসংখ্যান কেন্দ্রের তথ্যে জানানো হয়েছে।
সূত্রঃ ইন্টারনেট