امام زاده ها و معصومین

ফাতিমা মাসুমা, ফাতেমা মাসুমা, কুম, ইমাম রেযা, ইমাম কাযিম, মাসুমা,
প্রত্যেক নর নারীর প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পরে বিবাহ করা হচ্ছে রাসুল (সা.)’এর সুন্নাত। কিন্তু অনেকের মনে প্রশ্নে সঞ্চার হতে পারে তাহলে কেন ইমাম কাযিম (আ.) এর কন্যা হজরত ফাতেমা মাসুমা (সা.আ.) বিবাহ করেননি? লেখক, গবেষক এবং ঐতিহাসিকগণ উক্ত প্রশ্নের একাধিক উত্তর ত
হজরত ফাতেমা মাসুমা (সা.আ.) ছিলেন হযরত ইমাম মুসা ইবনে জাফর (আ.) এর কন্যা। তিনি শিয়াদের মাঝে কারিমায়ে আহলে বাইত (আ.) নামে সুপ্রসিদ্ধ। এছাড়া তিনি তাহেরা, হামিদা, বিররাহ, রাশিদা, তাকিয়া, নাকিয়া, সাইয়্যিদা, রাদ্বিয়া, উখতুর রেযা, সিদ্দিকা, শাফিয়া ইত্যাদ
ফাতিমা মাসুমা, ফাতেমা মাসুমা, কুম, ইমাম রেযা, ইমাম কাযিম, মাসুমা,
হজরত ফাতেমা মাসুমা (সা.আ.) হচ্ছেন ইমাম মূসা (আ.)’এর কন্যা এবং তাঁর মাতার নাম হচ্ছে নাজমা খাতুন। তিনি ১৭৩ হিজরি ১লা জিলকদে মদিনাতে জন্মগ্রহণ করেন। ২০০ হিজরিতে খলিফা মামুনের জোর তাকিদের কারণে ইমাম রেযা (আ.) মার্ভ’এর উদ্দেশ্যে রওনা হন। তার এক বছর পরে অর্থাৎ
ফাতিমা মাসুমা, ফাতেমা মাসুমা, কুম, ইমাম রেযা, ইমাম কাযিম, মাসুমা,
তাঁর বাবা ছিলেন শিয়াদের সপ্তম ইমাম হযরত ইমাম মুসা বিন জাফর (আ.)। তাঁর সম্মানিত মাতার নাম হযরত নাজমা খাতুন (সা আ.)। হযরত নাজমা খাতুন (সা. আ.) অষ্টম ইমাম হযরত মুসা বিন রেজা (আ.) এরও মা ছিলেন। সুতরাং হযরত মাসুমা (সা. আ.) ও হযরত ইমাম রেজা (আ.) আপন ভাই-বোন ছিল
হজরত ফাতেমা মাসুমা (সা.আ.)এর মাজারের কিছু দৃশ্য
ইমাম রেযা, মাসুমা, ফাতেমা মাসুমা, হজরত মাসুমা, বিবি মাসুমা, মাসুমা, ইমাম কাযিম
যখন হজরত ফাতেমা মাসুমা (সা.আ.) সাভেতে মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন তখন কেন তিনি সাভেতে অবস্থান করেননি এবং কেন কুম অভিমুখে রওনা হওয়ার নির্দেশ দান করেন?
Hazrat masuma, Fatima masuma, imam reza, qom, ফাতিমা মাসুমা, হজরত মাসুমা, কুম, ইমাম রেযা,
হযরত ফাতেমা মাসুমা বাবা ছিলেন শিয়াদের সপ্তম ইমাম হযরত ইমাম মুসা বিন জাফর (আ.)। তাঁর সম্মানিত মাতার নাম হযরত নাজমা খাতুন (সা আ.)। হযরত নাজমা খাতুন (সা. আ.) অষ্টম ইমাম হযরত মুসা বিন রেজা (আ.) এরও মা ছিলেন। সুতরাং হযরত মাসুমা (সা. আ.) ও হযরত ইমাম রেজা (আ.) আ
ইমাম রেযা, মাসুমা, ফাতেমা মাসুমা, হজরত মাসুমা, বিবি মাসুমা, মাসুমা,
হজরত ফাতেমা (সা.আ.) ইমাম মূসা কাযিম (আ.)’এর সন্তানদের মধ্যে তাঁর ভাই ইমাম রেযা (আ.)’এর মতো পবিত্র এবং বিশেষ বৈশিষ্টের অধিকারি ছিলেন।
Hazrat sakina, hazrat rukaia, হজরত সকিনা, হজরত রুকাইয়া, ইমাম হুসাইন, দামেস্ক,
মরহুম আয়াতুল্লাহ মোল্লা মোহাম্মাদ হাশেম খোরাসানি লিখেছেন যে, নাজাফ-এ আশরাফের একজন আলেম যার নাম ছিল “শাইখ মোহাম্মাদ আলি শামী” তিনি আমাকে বলেন: আমার মায়ের দাদা যার নাম ছিল সৈয়দ ইব্রাহিম দামেস্কি। তাঁর পূর্ব পুরুষ ছিলেন সৈয়দ মোতর্যা। তাঁর বয়স ছিল ৯০ বছর। তাঁ
হজরত সকিনা, শামের কারাগার, ইমাম হুসাইন, হজরত জয়নাব, রুকাইয়া,
হজরত সকিনা এবং হজরত রুকাইয়া উক্ত নাম দুটি নিয়ে ইতিহাসে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে যে, ইমাম হুসাইন (আ.)’এর হজরত সকিনা এবং হজরত রুকাইয়া নামের কোন মেয়ে ছিল? যিনি তিন অথবা চার বছর বয়সে কারবালাতে উপস্থিত ছিলেন এবং দামেস্কে শাহাদত বরণ করেন?
আলী আসগার, আব্দুল্লাহ, ইমাম হুসাইন, কারবালা, আশুরা, হুমুলা,
নামঃ আব্দুল্লাহ। পিতাঃ হুসাইন বিন আলী বিন আবি তালিব (আ.)। মাতাঃ রোবাব। জন্মঃ ১০ই রজব ৬০ হিজরী মদীনায় জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুঃ ছয় মাস বয়সে কারবালায় শহীদ হন।
মহরম, আশুরা, শামে গারিবা,হজরত আব্বাস , কারবালা,
যতদিন পযন্ত হজরত খাদিজা জিবীত ছিলেন ততদিন পযন্ত রাসুল (সা.) অন্য কাউকে বিবাহ করেননি। অনুরূপভাবে যতদিন পযন্ত হজরত ফাতিমা (সা.আ.) জিবীত ছিলেন হজরত আলী (আ.) আর কাউকে বিবাহ করেননি। হজরত ফাতিমা যাহরা (সা.আ.) হজরত আলী (আ.) এর সাথে প্রায় ৯ বছর জীবন যাপন করেন এবং
হজরত আব্বাস, আব্বাস, আবুল ফযল, কারবালা, ইমাম হুসাইন, আশুরা,
হযরত আবুল ফজল আব্বাস বিন আলী (আ.) ইসলামের ইতিহাসের সবচেয়ে অশ্রুভেজা ও রক্তমাখা নামগুলোর মধ্যে অন্যতম। অতি উচ্চ পর্যায়ের পৌরুষত্ব, মহানুভবতা, ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং বিশ্বনবী (সা.)'র পবিত্র আহলে বাইতের প্রতি চরম বা একনিষ্ঠ নিরঙ্কুশ আনুগত্যের জন্য ইতিহাসে তাঁর
হজরত আব্বাস, আব্বাস, আবুল ফযল, কারবালা, ইমাম হুসাইন, আশুরা,
হজরত আব্বাস (আ.) এর মাজারের কিছু দৃষ্টিনন্দন ছবি
হজরত কাসিম, ইমাম হাসান, কারবালা, উম্মে ফারওয়া, কাসিমের বিবাহ,
হজরত কাসিম (আ.) এর সাথে হজরত ইমাম হুসাইন (আ.) এর কন্যার বিবাহের ঘটনা হচ্ছে ইসলামের শত্রুদের একটি রটনা এবং ষড়যন্ত্র এবং এ সম্পর্কে কোন সঠিক রেওয়ায়েত বিশ্বস্ত পুস্তক সমূহে লিপিবদ্ধ নেই।
আলি আকবর, হজরত আলি আকবর, কারবালা, ইমাম হুসাইন, উম্মে লাইলা,
হজরত আলী আকবর (আ.)’এর মায়ের নাম হচ্ছে লাইলা বিনতে আবি মাররা বিন উরওয়া বিন মাসউদ সাকাফি। এছাড়াও ইতিহাসে তার বিভিন্ন নাম উল্লেখ করা হয়েছে যেমনঃ লাইলা, মাররা, আমেনা ইত্যাদি।
কারবালা, ইমাম হুসাইন, আলি আকবর, ইমাম, উম্মে লইলা, মহরম,
হজরত আলী আকবর (আ.) ছিলেন ইমাম হুসাইন (আ.) এর কলিজার টুকরা। তিনি ছিলেন ইমাম হুসাইন (আ.) এর বড় সন্তান। তাঁর কথাবার্তা, সীরাত ছিল তার পূর্ব পুরুষ রাসুল (সা.) এর মতো। যারাই রাসুল (সা.) কে দেখার ইচ্ছা পোষণ করতেন তারাই তাকে নয়ন ভরে দেখতেন। যেমনভাবে তার বাবা ত
আলি আকবর, হজরত আলি আকবর, কারবালা, ইমাম হুসাইন, উম্মে লাইলা,
হুসাইনী শিবিরে একমাত্র হজরত আলী আকবর (আ.)ছিলেন সেই সৈনিক যিনি কারবালার ময়দান থেকে ফিরে আসেন। হজরত আলী আকবর (আ.) ছিলেন ইমাম হুসাইন (আ.) এমন এক সন্তান যিনি ছিলেন রাসুল (সা.) এর সদৃশ।
আলি আকবর, হজরত আলি আকবর, কারবালা, ইমাম হুসাইন, উম্মে লাইলা,
হজরত আলী আকবর (আ.) হচ্ছেন ইমাম হুসাইন (আ.)’এর জৈষ্ঠ সন্তান। তার মাতার নাম লাইলা। কারবালায় হজরত আলী আকবর (আ.) উপস্থিত ছিলেন এবং এজিদি বাহিনীর বিরূদ্ধে জিহাদ করেন। কিন্তু তার বয়স সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন উপস্থাপন করা হয়। নিন্মে তার কিছু দলিল উপস্থাপন করা হলো
আলি আকবর, হজরত আলি আকবর, কারবালা, ইমাম হুসাইন, উম্মে লাইলা,
হজরত আলী আকবর (আ.) এর বিবাহ হয়েছিল কিনা এ সম্পর্কে দুটি মত বর্ণিত হয়েছে। ১- কারো কারো মতে তাঁর বিবাহ হয়নি। ২- অনেকের মতে তাঁর বিবাহ হয়েছিল। কিন্তু তার স্ত্রী এবং সন্তানের কথাও কোথাও উল্লেখ করা হয়নি। কিন্তু হজরত আলী আকবর (আ.) এর যিয়ারত নামাতে বর্ণি

পৃষ্ঠাসমূহ